HomeScrollযুদ্ধবিরতির কথা উঠতেই কমছে তেলের দাম! আন্তর্জাতিক বাজারের কী অবস্থা? দেখুন বড়...
US-Iran Ceasefire

যুদ্ধবিরতির কথা উঠতেই কমছে তেলের দাম! আন্তর্জাতিক বাজারের কী অবস্থা? দেখুন বড় খবর

হরমুজ প্রণালীতে পুনরায় জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বইছে স্বস্তির হাওয়া

ওয়েব ডেস্ক: আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির (US-Iran Ceasefire) ইঙ্গিত এবং হরমুজ প্রণালীতে (Strait Of Hormuz) পুনরায় জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। গত কয়েক মাসের অস্থিরতার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের (Crude Oil) দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল হতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে।

সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম মার্চ মাসের পর সর্বনিম্ন স্তরে নেমে আসে। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৩.৫৮ ডলার বা ৪.১০ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৩.৭৫ ডলারে দাঁড়ায়। একইসঙ্গে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম ৪.০১ ডলার বা ৪.৭২ শতাংশ কমে ৮০.৮৭ ডলারে পৌঁছেছে। যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক বার্তার পরেই এই পতন শুরু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ১৬ মাস পর দেখা, ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলালেন মোদি! জি-৭ মঞ্চেই মিটল দুই রাষ্ট্রনেতার মান-অভিমান?

বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহণ হয়। ফলে সেখানে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক বাজারে ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে তেলের দামেও। সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ স্তর থেকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি ভারতের জন্যও ইতিবাচক। ক্রিসিল ইন্টেলিজেন্সের ডিরেক্টর সেহুল ভাট জানিয়েছেন, অশোধিত তেলের দাম কমায় দেশের জ্বালানি আমদানির খরচ হ্রাস পাবে এবং মুদ্রাস্ফীতির ওপর চাপও কিছুটা কমবে। তাঁর মতে, যদি ভারতীয় ক্রুড বাস্কেটের দাম প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলারের নিচে থাকে, তাহলে তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে না।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্কও করছেন। যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও পশ্চিম এশিয়ায় জ্বালানি পরিকাঠামোর ক্ষতি, সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘ্ন এবং সীমিত মজুতের কারণে বাজারে অস্থিরতা পুরোপুরি কাটেনি। আইসিআরএ-র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রশান্ত বশিষ্ঠের মতে, যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরতে অশোধিত তেলের বাজারের ছ’মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কারণ এখনও পশ্চিম এশিয়ায় বিপুল পরিমাণ তেল উৎপাদন বন্ধ রয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিকাঠামো মেরামতের কাজও সময়সাপেক্ষ।

দেখুন আরও খবর:

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News