ওয়েবডেস্ক- গ্রিনল্যান্ডের পরে এবার ট্রাম্পের (Donald Trump) দৃষ্টি পড়েছে ফ্রান্সের উপরে। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ফ্রান্সের (France) ওয়াইন (wine) ও শ্যাম্পেনে (champagne) ২০০ শতাংশ (200 Percent Tariff) শুল্ক বসাবেন। ট্রাম্পের তৈরি ‘বোর্ড অফ পিস’ এ যাতে ফ্রান্স যোগ দেয়, সেই কারণেই ম্যাক্রো উপর চাপ বাড়াতেই ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি বলেই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “আমি তার (রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ) (President Emmanuel Macron) ওয়াইন এবং শ্যাম্পেনের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করব। এবং তিনি যোগ দেবেন। কিন্তু তাকে যোগ দিতে হবে না”। মার্কিন প্রস্তাবিত বোর্ডটি মূলত যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার পুনর্গঠনের তত্ত্বাবধানের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, তবে সনদটি দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের মধ্যে এর ভূমিকা সীমাবদ্ধ বলে মনে হয় না।
সোমবার ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রী রোল্যান্ড লেসকিউর আমেরিকাকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, গ্রিনল্যান্ড একটি সার্বভৌম দেশের একটি সার্বভৌম অংশ, যা ইইউ-এর অন্তর্ভুক্ত। এই নিয়ে ঝামেলা করা ঠিক হবে না। এর পরেও কটাক্ষ করে ফ্রান্সের তরফে বলা হয়, যদি কোনওদিন দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে ক্ষতি হবে, তাই এখনই গাড়ি ভেঙে ফেলা ভালো হবে, এমন একটা মানসিকতা নিয়ে চলছেন ট্রাম্প।
আরও পড়ুন- ‘নোবেল পাইনি, বিশ্বশান্তি নিয়ে মাথাব্যথা নেই’ চিঠি অভিমানী ট্রাম্পের
২০২৮ সালে শেষ হতে চলেছে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ পদের মেয়াদ শেষ হবে। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, মেয়াদ শেষের আগেই পদ ছাড়তে পারেন তিনি। এর আগেই রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে দাবি জানা যায়, ট্রাম্পের ‘পিস বোর্ডে’ যোগ দেবেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন ম্যাক্রোঁ।
Board of Peace
মার্কিন প্রস্তাবিত বোর্ডটি। মূলত যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার পুনর্গঠনের তত্ত্বাবধানের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এখানে স্থায়ী সদস্যপদ পেতে দিতে হয় ১ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের পদে বসবেন এবং সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে।
ইউরোপের একাধিক দেশকে সদস্যপদ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আর্জেন্টিনা ও ক্যানাডাকেও সদস্যপদ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে







