Friday, April 24, 2026
HomeScrollএখনও ধিকিধিকি আগুন, আনন্দপুরে পুড়ে খাক বহু প্রাণ, পায়ে ঠেকছে হাড়ের টুকরো
Anandapur Factory Fire

এখনও ধিকিধিকি আগুন, আনন্দপুরে পুড়ে খাক বহু প্রাণ, পায়ে ঠেকছে হাড়ের টুকরো

মোমো তৈরির কারখানার আড়ালে চলত অবৈধ কোল্ড ড্রিঙ্কস তৈরির কাজ?

কলকাতা: ৩২ ঘণ্টা পেরিয়ে এখনও ধিকিধিকি আগুন জ্বলছে পূর্ব কলকাতার আনন্দপুরের (Anandapur Factory Fire Kolkata) জোড়া গুদামে। যে জায়গাটা ছিল কর্মচঞ্চল কারখানা, মঙ্গলবার দুপুরে তা যেন এক ভয়াল জতুগৃহ। এখনও পর্যন্ত মৃত ৮ জনের মৃত্যুর খবর দেখা গিয়েছে। যদিও খোঁজ নেই একাধিকের। ইতিউতি ছড়িয়ে পোড়া হাড়গোড়ের টুকরো। পকেট ফায়ার বোজানোর মরিয়া চেষ্টা। কিন্তু এখনও খোঁজ নেই একাধিকের। মঙ্গলবার বেলায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। গিয়েছেন ময়নার বিজেপি বিধায়ক অশোক ডিন্ডা ও স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। বিজেপির বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে সুজিতকে।
এখনও পর্যন্ত গোডাউনের ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনটে পোড়া কঙ্কাল-সহ ৮ টা ঝলসে যাওয়া দগ্ধ দেহাংশ! ঘটনার ভয়াবহতা কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা শহরকে। ঝলসে যাওয়ার ছাইয়ের মাঝে নিখোঁজদের খোঁজার আপ্রাণ প্রয়াস চলছে! ভিতরে এখনও অন্ততপক্ষে ২৫ জন আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। নিখোঁজের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।ডেকরেটর্সের কঙ্কালসার গোডাউনের ভিতর ছাই পেরিয়ে এগোতে গিয়ে পায়ে ঠেকছে হাড়ের টুকরো। স্বজনহারাদের কান্না বাঁধ মানছে না। তখন প্রশ্ন উঠছে, অগ্নিকাণ্ডে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এই গুদাম দুটো কি বেআইনিভাবে তৈরি করা হয়েছিল? স্থানীয়দের দাবি আরও বিস্ফোরক। মোমো তৈরির কারখানার আড়ালে চলত অবৈধ কোল্ড ড্রিঙ্কস তৈরির কাজ। সেই কারণেই প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত করা ছিল বলে অভিযোগ।অভিযোগ, ইস্ট ক্যালকাটা ওয়েটল্যান্ড অর্থাৎ জলাভূমি বুজিয়ে তৈরি করা হয়েছিল অভিশপ্ত গুদাম দুটি। আর, এনিয়েই এখন তুঙ্গে উঠেছে তরজা।

রবিবার রাত ১ টার পর আগুন লাগে গুদামে। রাতে সেসময়ে গোডাউনের মধ্যে অন্ততপক্ষে ৩০ জন ছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। কয়েকজন বেরিয়ে আসতে পেরেছিলেন। এই মৃত এবং নিখোঁজদের অধিকাংশই দুর্ঘটনার সময়ে গোডাউনে ছিলেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ছাইয়ের স্তূপ থেকে হাড়গোড় বার হচ্ছে, সামনে এসেছে এমনই দৃশ্য। দগ্ধ দেহাংশ দেখে তাঁদেরও শনাক্ত করার উপায় নেই। দেহাংশগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্তত ২০-৩০ জন নিখোঁজ। মঙ্গলবার সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এবং দমকলের ডিজি রণবীর কুমার। দুর্ঘটনাস্থলে যে উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না, তা স্বীকার করেছেন রণবীর। এদিকে দেখা গেল, আনন্দপুরের গোডাউনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কার্যত নেই। ৫ কেজির ২ টো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র এত বড় কারখানার ঠিক কোথায় বসানো তা জানেন না প্রায় কেউই। আর জেনেই বা কী! এত বড় জায়গার তুলনায় ২ টো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র নেহাতই নগন্য।

আরও পড়ুন: SIR কাঁটা! শুনানির লাইনে চিকেন পক্স আক্রান্ত পুলিশকর্মী! ফের বিতর্ক

মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ফরেন্সিক টিম। ওই কারখানা এবং গোডাউন থেকে উপযুক্ত নমুনা সংগ্রহ করছে তারা।দমকলের ডিজি বলেন, ‘অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে FIR করা হবে। আইনি পদ্ধতি মেনে সমস্ত পদক্ষেপ করা হবে।’অন্যদিকে, দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, ‘যখন প্রথম দমকল এখানে পৌঁছয়, সেই সময়ে পরিস্থিতি অনেক জটিল ছিল। গোটা এলাকাটি কাঠামোয় (থার্মোকল ও প্লাস্টিকের) ভরা ছিল। এখানে অগ্নিনির্বাপণের পর্যাপ্ত জিনিসপত্র দেখা যায়নি। গোটা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হবে। পুলিশ ওই ডেকোরেটর্সের গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাসের নামে একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WATITOTO LGO188 xgo88 WDBOS toto togel slot slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot slot gacor situs slot gacor situs togel situs toto slot gacor toto https://josephmellot.com/nos-vins/ https://todayinnewsfocus.com/ BWO99 poker idn poker benteng786 situs slot gacor idn poker toto slot