ওয়েবডেস্ক- একসঙ্গে এতগুলি পাবলিক পোস্ট কি ধরে রাখা যায়? নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় (Recruitment Cases) প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের (Justice Hiranmay Bhattacharya) । বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য নিয়োগ দুর্নীতি ও প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন, সেইসঙ্গে স্বচ্ছ, ত্রুটিমুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন।
আবেদনকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, ২০১৬ সালের প্রমথ এসএলএসটি অনুযায়ী এরা বিভিন্ন সেকেন্ডারি স্কুলে কর্মরত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এঁদের চাকরি থাকবে। এখন প্রাথমিকেও এরা আবেদন করেছে। মালদা ডিপিএসসি ও উত্তর ২৪ পরগনা ডিপিএসসি নিয়োগপত্র দিয়েছে। তাঁদের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে জয়েন করতে বলা হয়েছে। আবেদন অনুযায়ী উত্তর ২৪ পরগনা ডিপিএসসি ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁদের জয়েনিং এর সুযোগ দিলেও এখনও মালদা ডিপিএসসি কিছু জানায়নি।
এই প্রেক্ষিতে আদালতের কাছে আবেদন, জয়েনিং এর সময়সীমা যাতে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয় তার নির্দেশ দেওয়া হোক। এরা ২০২৫ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও অংশ নিয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। তাই এক্ষেত্রে কি হয় তা নির্ধারিত হওয়া পর্যন্ত পদ ভ্যাকেন্ট রাখা হোক।
কমিশনের আইনজীবীর বক্তব্য, এভাবে এতগুলি পদ ধরে রাখা যায় না।
বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, আপনারা আগে জয়েন করুন তারপর এখানে ব্যবস্থা হলে রিজাইন করা যাবে। আদালতের নির্দেশ মালদা ডিপিএসসিকে নোটিশ সার্ভ করতে হবে। ৩১ ডিসেম্বর ফের মামলার শুনানি।
আরও পড়ুন- SIR শুনানিতে ঢুকতে পারবেন না BLA-রা বিরাট নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের
নিয়োগে সমস্যা নিয়ে বিচারপতি ভট্টাচার্য বিভিন্ন মামলায় প্রশ্ন তুলেছেন যে কেন বার বার নিয়োগে সমস্যা হচ্ছে আর কোনও পদক্ষেপ নিলেই মামলা দায়ের হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি (Primary Education Board) পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাদের কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, বিশেষত টেট বিজ্ঞপ্তি ও প্রশিক্ষণার্থীদের সুযোগ সংক্রান্ত মামলায়। B.Ed. দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় তিনি প্রধান বিচারপতি টি.এস. শিবজ্ঞানম (T.S. Shivagnanam) -এর সঙ্গে যৌথভাবে রাজ্যে শিক্ষক ও পুলিশ নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেছে। নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিচারপতি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন এবং প্রশাসনের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।







