HomeScrollজনগণনার কাজে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে মামলা, সেনসাস অথরিটিকে আদালতের ভর্ৎসনা
Census 

জনগণনার কাজে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে মামলা, সেনসাস অথরিটিকে আদালতের ভর্ৎসনা

স্কুলের সময়ের সঙ্গে জনগণনার কাজ কীভাবে চলবে? শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেনসাস কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাইল আদালত। বিকল্প হিসেবে পুরসভা-পঞ্চায়েত ও নন-টিচিং কর্মীদের কাজে লাগানোর পরামর্শ।

ওয়েব ডেস্ক : জনগণনার কাজে স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ করা নিয়ে মামলা হল আদালতে। শুনানিতে সেনসাস (Cencus) অথরিটির কাছে কাজের সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তিনি জানতে চান, জনগণনা করার জন্য কর্তৃপক্ষ কোন সময় নির্ধারণ করেছে? সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কি জনগণনার কাজ হবে?

বিচারপতির প্রশ্ন, কেন্দ্র কি রাজ্যের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছে? কীভাবে রাজ্য চলবে? শিক্ষকরা স্কুলের সময়ের পরে এবং ছুটির দিনে জনগণনার কাজ করলে কি সমস্যা মিটতে পারে না? তাঁর মন্তব্য, তিনি আদালতে বসে আছেন, অথচ রেভিনিউ অফিসে গিয়ে দেখলে দেখা যাবে সেখানে কাজ করার মতো লোক নেই। তিনি জনগণনার কাজে সবাই ব্যস্ত থাকার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

আরও খবর : সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া নজরদারি, ৫ মাসে ব্লক প্রায় ১.৯৫ লক্ষ কনটেন্ট! ৬৮ সেকেন্ডে একটি নির্দেশ

বিচারপতি প্রশ্ন করেন, কেন স্কুলের শিক্ষকদের এই কাজে যুক্ত করা হয়েছে? কাজের সময় পরিবর্তন করা হোক, অথবা অন্য ব্যবস্থা করা হোক। জনগণনা কর্তৃপক্ষ যে আধিকারিক কাজের সময় নির্ধারণ করেছেন, তাঁকে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেন তিনি। স্কুলের সময়ের সঙ্গে জনগণনার কাজ কীভাবে চলবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। একইসঙ্গে এই মামলায় রাজ্য একজন সঠিক আধিকারিককে আদালতে পাঠাতে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কেন্দ্রের উদ্দেশ্যেও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তাঁর মন্তব্য, কেন্দ্র একটি নোটিশ জারি করেছে, কিন্তু এই বিষয়ে রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা করা হবে না কেন? স্কুলের সময় সম্পর্কে কি কেন্দ্র অবগত নয়? প্রয়োজনে ২০ জন শিক্ষকের মধ্যে ৫ জনকে জনগণনার কাজে যুক্ত করে বাকি ১৫ জনকে দিয়ে স্কুল চালানোর প্রস্তাবও দেন তিনি। শিক্ষক না নিয়ে পুরসভা, পঞ্চায়েত, বিধানসভা এবং শিক্ষা দফতরের নন-টিচিং কর্মীদের দিয়ে জনগণনার কাজ করানোর কথাও বলেন বিচারপতি। মামলার ফের শুনানি আগামীকাল।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News