ওয়েব ডেস্ক: অসমে এসআইআরকে (SIR in Assam) হাতিয়ার করে ভোট চুরি করছে বিজেপি। এমনকী বাদ দেওয়া হচ্ছে যোগ্য ভোটারদের। এমনটাই বার বার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। ভোট চুরির একাধিক অভিযোগ ইতিমধ্যে সামনে এসেছে। মুসলিমদের ভোট চুরি করছেন বলে নিজেই স্বীকার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। রাজ্যের এক মহিলা বিএলও ভোটচুরির ঘটনা ফাঁস করায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল জেলাশাসক। জানা গিয়েছে এই বিএলও সরাসরি জানিয়েছিলেন কীভাবে অসমে বিজেপির বিএলএরা ফর্ম ৭ এর জালিয়াতি করে মুসলমান মানুষদের নাম মুছে দেওয়ার চক্রান্ত করছে। এই ঘটনা সামনে আনার পরই ওই মহিলা বিএলওকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে হয়েছে।
রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার বিএলও সুমনা চৌধুরীকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষিকা সুমনা রহমান চৌধুরীকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করেছেন জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচন আধিকারিক। অভিযোগ করিমগঞ্জ জেলার চৌধুরী বাজার প্রাথমিক স্কুলের ভোট কেন্দ্রে ১৩৩ জন জীবিত ভোটারকে মৃত বলে তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সেলিম আহমেদ নামের এক ব্যক্তির জাল স্বাক্ষর করে ৭ নম্বর ফরম জমা পড়ে। ওই এলাকার বিএলও সুমনা রহমান চৌধুরী তা গত ২১ জানুয়ারি ফাঁস করেন। তিনি জানান এই নামগুলি কর্তন করতে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করছে নির্বাচন আধিকারিকের কার্যালয়ের কর্মচারীরা। পরদিন সেলিম আহমেদ জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে জানান তাঁর স্বাক্ষর কে বা কারা জাল করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।
আরও পড়ুন: ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর, কুকি ও নাগা জনজাতি সংঘর্ষে উত্তপ্ত উখরুল







