ওয়েব ডেস্ক : ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে এমনিতেই রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। তার পরেই শুনানি পর্ব নিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। কারণ, কারও পায়ে প্লাস্টার, কেউ সদ্য ছাড়া পেয়েছেন হাসপাতাল থেকে, কেউ বয়সের ভারে জীর্ণ। তা সঙ্গে নিয়েই শুনানি কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে তাঁদেরকে। গঙ্গাসাগর থেকে এই ইস্যু নিয়ে কড়া ভাষায় কমিশন (Election Commission) ও বিজেপিকে (BJP) আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
তিনি বলেন, “এসআইআর (SIR) হোক বছর দুয়েক সময় নিয়ে। গায়ের জোরে কেন? গায়ের জোরে দু’মাসের মধ্যে প্রায় ৭০ জন মারা গিয়েছেন, বাকিরা আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন হাসপাতালে আছেন। একবারও প্রাণ কাঁদে না, একবারও মন কাঁদে না, একবারও হৃদয় কাঁদে না। কবারও মনে আগুন জ্বলে না?”
আরও খবর : গঙ্গাসাগরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বিরাট মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর
তিনি আরও বলেন, “আজ যদি আপনার বাড়ির মা-কে, ৮৫ বছরের বৃদ্ধাকে টেনে-হেঁচড়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হত, দিল্লির লাড্ডুরা কী উত্তর দিতেন? যারা বড় বড় কথা বলে নাম কাটছেন, তাঁদের বাবা-মায়ের সার্টিফিকেট আছে তো ? জিজ্ঞাসা করুন।”
প্রসঙ্গত, কেউ বয়সের ভারে ভারাক্রান্ত। কেউ ঠিক মতো দাঁড়াতে পারেন না। এমন কিছু বয়স্ক ব্যক্তি ও মহিলাকে শুনানি কেন্দ্রে যেতে দেখা গিয়েছে। কেউ আবার কেন্দ্রের সামনে গিয়েও কেঁদেই ফেলেছেন। এ নিয়ে মমতা এদিন আরও বলেছেন, “বয়স্ক লোকেরা নাকে অক্সিজেন নিয়ে যাচ্ছেন, তাঁকে ডেকে পাঠাচ্ছো ৮৫ বছর বয়সে, ৯০ বছর বয়সে। কেউ অন্তঃসত্ত্বা, তাঁকে ডেকে নিয়ে যাচ্ছো। তাঁকে এতদিন বাদে… এ দেশে থেকে প্রমাণ করতে হবে সে এ দেশের ভোটার কি না ! সে এদেশের নাগরিক কি না !” তিনি আরও বলেছেন, ডিরেকশন দেওয়ার ক্ষমতা নেই, হোয়াটসঅ্যাপে চলছে ইলেকশন কমিশন।
দেখুন অন্য খবর :







