Friday, June 12, 2026
HomeScrollএলপিজি সঙ্কটে কোপ প্রসাদেও, অযোধ্যার 'রাম রসোই' বন্ধ
LPG Gas Crisis

এলপিজি সঙ্কটে কোপ প্রসাদেও, অযোধ্যার ‘রাম রসোই’ বন্ধ

গ্যাসের অভাবে হনুমানগড়ির লাড্ডু প্রসাদেও ঘাটতি

ওয়েব ডেস্ক: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি টালমাটাল। জ্বালানি সঙ্কটের মুখে সমগ্র দেশ। ইতিমধ্যেই এলপিজি গ্যাসের (LPG Gas Crisis) হাহাকার দেখা গিয়েছে। ঘরোয়া গ্যাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম। জ্বালানি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র এসমা জারি করায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হল। বাণিজ্যিক গ‌্যাসের উৎপাদন কাটছাট হওয়ায় জোগানে টান পড়েছে। এই অবস্থায় অযোধ্যাতেও LPG সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে বলে খবর। যার ফলে স্থানীয় মঠ ও মন্দিরগুলিতে কমিউনিটি কিচেন এবং প্রসাদ প্রস্তুতি মারাত্মক ভাবে প্রভাবিত হয়েছে। গ্যাসের অভাবে আমাভা মন্দির প্রশাসন ‘শ্রী রাম রসোই’ (Ayodhya Sree Ram Rasoi Closed) সাময়িক ভাবে বন্ধ রেখেছে।

রাম মন্দিরের কাছে অবস্থিত আমাভা মন্দিরের ‘শ্রী রাম রসোই’-এর বাইরে প্রশাসন একটি নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছে। মন্দির কর্তপক্ষের তরফে পঙ্কজ কুমার বলেন, ‘যুদ্ধের কারণে দেশে গ্যাস সঙ্কট। এর জেরে এই রসোই বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল আমরা। যেখানে প্রতিদিন ১০ হাজার ভক্তকে প্রসাদ বিলি করতো। পাশাপাশি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হনুমানগড়ির প্রায় ১৫০ জন দোকানদার লাড্ডু তৈরি করতে গিয়ে সঙ্কটে পড়েছেন। এই সঙ্কট সিদ্ধপীঠ হনুমানগড়িতেও পৌঁছে গিয়েছে। প্রসাদ বিক্রেতা নন্দকুমার গুপ্ত ব্যাখ্যা করেছেন, গ্যাসের অভাবে লাড্ডু উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কেবল পুরনো মজুত থাকা লাড্ডু বিক্রি হচ্ছে। এখানকার প্রতিটি দোকানদার প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ কেজি লাড্ডু প্রস্তুত করেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে যদি এই অবস্থা চলতে থাকে তাহলে অযোধ্যার বিখ্যাত প্রসাদ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন:‘LPG ছেড়ে ইন্ডাকশন ব্যবহার করুন,’ আকাল পরিস্থিতিতে বড় নির্দেশ IRCTC-র

গ্যাসের ঘাটতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে অযোধ্যা হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলিতে। মালিকদের মতে গত ২ দিন ধরে সিলিন্ডার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে এবং অভ্যন্তরীণ বুকিংও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ছে। গ্যাস সঙ্কটে মুখ থুবড়ে পড়েছে হোটেল শিল্প। কারণ, এই এলপিজি সিলিন্ডারের সঙ্কটের ফলে হোটেলের কাজ কার্যত থমকে গেছে। মুম্বই হোটেলস অ্যান্ড রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন (AHAR)-এর মতে, রান্নার গ্যাসের অভাবে শহরের প্রায় ২০ শতাংশ হোটেল ইতিমধ্যেই সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। বাণিজ্যিক গ‌্যাসের উৎপাদন কাটছাট হওয়ায় জোগানে টান পড়েছে। কলকাতাতেও (Kolkata LPG Crisis) এর রেশ অনেকটাই। রাতারাতি বেড়েছে গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং, একইসঙ্গে বাড়ছে কালোবাজারিও। কলকাতার হোটেল-রেস্তরাঁতেও দুশ্চিন্তার কালো মেঘ। কলকাতার খাদ্য গলি ডেকার্স লেন থেকে পার্ক সার্কাসের বিখ‌্যাত বিরিয়ানির দোকান, শিয়ালদহ থেকে যাদবপুর, সর্বত্র উঠেছে ‘গ‌্যাসের ব্যথা’।AHAR জানিয়েছে, বর্তমানে কোনও রেস্তোরাঁ বা হোটেল চালু থাকবে কি না, তা অনেকটাই নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে কতটা এলপিজি মজুত আছে তার উপর।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D slot gacor hari ini SlotPoker188 kecak4d