ওয়েব ডেস্ক : আদালতের নির্দেশের পরই গ্রেফতার করা হল বাংলার ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলকে (Abhishek Porel)। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগে মগরা থানার পুলিশ (Police) তাঁকে গ্রেফতার করেছে। এক ডাক্তারি পড়ুয়ার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলা। অভিযোগকারিণী অভিষেকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন এবং ব্ল্যাকমেলের মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তবে শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে আসছেন ক্রিকেটার।
ঘটনার সূত্রপাত জুন মাসে। মায়ের সঙ্গে মগরা থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন ওই ডাক্তারি পড়ুয়া। তাঁর দাবি, প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে অভিষেকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল এবং তাঁদের বিয়ের কথাও হয়েছিল। কিন্তু প্রায় দেড় বছর আগে সম্পর্কের অবনতি শুরু হয়। সেই সময় বিষয়টি থানায় পৌঁছলেও লিখিত অভিযোগ করেননি তরুণী। পরে নতুন করে অভিযোগ দায়ের হলে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা শুরু হয়।
আরও খবর : গ্রেফতার হতে চলেছেন অভিষেক পোড়েল!
অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নামে পুলিশ। এর মধ্যেই মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) পৌঁছয়। গত ১৯ জুলাই আদালত তদন্তে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। গত শুনানিতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে বলে পুলিশকে জানিয়ে দিয়েছিল। এদিন শুনানিতে রাজ্যের তরফে এক পাতার রিপোর্ট দিয়ে জানানো হয় অভিষেক পোড়েলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এদিন তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হয়। এদিকে বিচারপতি ভট্টাচার্য আগামী শুনানিতে পুলিশকে অভিযুক্তের থেকে কি কি তথ্য প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তা জানিয়ে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন।
অভিষেকের ফোন, ল্যাপটপ-সহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করার কথা জানিয়েছিল। অভিযোগকারিণীর ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও নিয়ে আশঙ্কার কথাও মামলায় উঠে আসে। সেই সূত্রেই তদন্তের স্বার্থে ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহকে গুরুত্ব দেয় আদালত। মঙ্গলবার ফের মামলার শুনানিতে অভিষেককে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশের পর মগরা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।







