ওয়েব ডেস্ক : বেলঘরিয়ার আদ্যাপীঠ মন্দিরে গিয়ে আধ্যাত্মিক জাগরণের বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকালে মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে তিনি বলেন, মানুষের মনের ‘পাপ’ দূর করতে গীতাপাঠের (Bhagavad Gita) প্রয়োজন রয়েছে। আরজি করের মতো ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যেও মানুষের মধ্যে আধ্যাত্মিক চেতনা বাড়ানোর কথা বলেন তিনি।
এদিন বেলা ১১টার কিছু আগে আদ্যাপীঠে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁকে স্বাগত জানান অধ্যক্ষ ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই। পরে আশ্রমের আবাসিক ও পড়ুয়াদের উপস্থিতিতে মন্দিরের নতুন মূল ফটকের উদ্বোধন করেন তিনি। পাশাপাশি আদ্যাপীঠের তরফে দেওয়া একটি অ্যাম্বুল্যান্সেরও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও খবর : ‘মোদি জিন্দাবাদ বললেই মামলা’, কেশপুরে পুরনো অভিযোগ নিয়ে সরব শুভেন্দু, এসপিকে বড় নির্দেশ
এরপর আদ্যাপীঠের গোশালায় গিয়ে গোমাতার সেবা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। মন্দিরে গিয়ে আদ্যা মায়ের পুজো এবং আরতিতেও অংশ নেন। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, কলকাতা যেমন সাংস্কৃতিক পীঠস্থান, তেমনই আধ্যাত্মিক রাজধানী হিসেবেও তার গুরুত্ব রয়েছে।
আরজি কর কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষকে পাপকাজ থেকে বিরত রাখতে গীতা পড়ানো উচিত। তাঁর মতে, গীতাপাঠের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক জাগরণ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি গেরুয়া রং কোনও রাজনৈতিক রং নয়, বরং কৃচ্ছসাধনের প্রতীক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আদ্যাপীঠে দাঁড়িয়ে অযোধ্যা ও কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “অযোধ্যার মন্দিরের জন্য তিন লক্ষ মানুষ আত্মবলিদান দিয়েছেন। হিন্দুদের টাকায় তৈরি হয়েছে ওই মন্দির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মা-গঙ্গার সঙ্গে জুড়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরকে।”







