HomeScrollপালাবদলের পরেই বন্ধ বাঁকুড়ার টোল, ‘অবৈধ আদায়ে ডাকাতি চলত’ অভিযোগ বিজেপির
Bankura

পালাবদলের পরেই বন্ধ বাঁকুড়ার টোল, ‘অবৈধ আদায়ে ডাকাতি চলত’ অভিযোগ বিজেপির

টোল বন্ধ হতেই সামনে আসতে শুরু করেছে একাধিক অভিযোগ

বাঁকুড়া: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই বাঁকুড়া (Bankura) শহরের একের পর এক টোলে পড়ল ঝাঁপ। আর টোল বন্ধ হতেই সামনে আসতে শুরু করেছে একাধিক অভিযোগ। স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে লরি চালক। সকলেরই দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জোর করে টাকা আদায় করা হত। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত বাঁকুড়া পুরসভা। তাদের দাবি, টোল থেকে আদায় হওয়া সমস্ত টাকা পুরসভার ফান্ডেই জমা পড়েছে।

বাঁকুড়া শহরের সতীঘাট, লালবাজার, রাজগ্রাম ও কাটজুড়িডাঙা এলাকায় পুরসভার তরফে চারটি টোল চালু করা হয়েছিল। শহরে ঢোকা পণ্যবাহী গাড়ি-সহ বিভিন্ন যানবাহনের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা তোলা হত। তবে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় ওই টোলগুলি। এরপরই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

আরও পড়ুন: ভাতাড়ে উত্তেজনা, আক্রান্ত প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এই টোলগুলি ছিল সম্পূর্ণ অবৈধ। টোলের নামে গাড়ি আটকে রেখে ইচ্ছেমতো টাকা আদায় করা হত। ফলে যান চলাচলেও সমস্যা তৈরি হত। লরি চালকদেরও দাবি, টাকা না দিলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হত গাড়ি। টোল বন্ধ হওয়ায় স্বস্তিতে এলাকার সাধারণ মানুষ ও চালকরা।

এ নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রি শেখর দানা। তাঁর অভিযোগ, “অবৈধ ভাবে টোল তৈরি করে তৃণমূল নেতারা কার্যত ডাকাতি চালিয়েছে। কোটি কোটি টাকা কোথায় গেল, তার তদন্ত হবে। কেউ রেহাই পাবে না।”

যদিও বিজেপির এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে বাঁকুড়া পুরসভা। পুরসভার চেয়ারম্যান অলকা সেন মজুমদারের দাবি, “সব টাকা নিয়ম মেনেই পুরসভার ফান্ডে জমা হয়েছে। কোনও রকম দুর্নীতি বা বেনিয়ম হয়নি।”

রাজ্যে সরকার বদলের পর একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। এবার বাঁকুড়ার টোল বিতর্ক ঘিরেও রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। এই ঘটনায় তদন্তে নামে কি না রাজ্যের নতুন সরকার, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News