পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) ভাতাড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে আক্রান্ত হলেন প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। বুধবার বিকেলে এড়ুয়ার (Edua) গ্রামে ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে বর্তমান বিজেপি (BJP) বিধায়ক সৌমেন কার্ফাই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করান।
অভিযোগ, এড়ুয়ার গ্রামের তৃণমূল কর্মী চন্দন ঠাকুরের বাড়িতে হামলা চালায় একদল বিজেপি কর্মী। খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং চন্দন ঠাকুরকে বাঁচাতে সেখানে যান প্রাক্তন বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। সেই সময়ই তিনি হামলার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ তৃণমূলের। ঘটনায় এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।কো
আরও পড়ুন: সিবিআই ডিরেক্টর পদে ফের এক্সটেনশন প্রবীন সুদের
ঘটনার খবর পেয়েই মানগোবিন্দ অধিকারীর বাড়িতে পৌঁছে যান ভাতাড়ের বিজেপি বিধায়ক সৌমেন কার্ফা। পরে নিজের গাড়িতে করেই তাঁকে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে বিধায়কের এই পদক্ষেপ ঘিরেও এলাকায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলামের অভিযোগ, “পরিকল্পিতভাবেই বিজেপি কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। চন্দন ঠাকুরকে বাঁচাতে গিয়েই আক্রান্ত হয়েছেন মানগোবিন্দ অধিকারী।”
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার দাবি, “বাড়ি তৈরির নামে গ্রামের বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন চন্দন ঠাকুর। সেই টাকা ফেরতের দাবিতে গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে তাঁর বাড়িতে যায়। সেই সময় চন্দন ঠাকুরকে বাঁচাতে গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েন মানগোবিন্দ অধিকারী। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই।” ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাতাড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।







