ওয়েব ডেস্ক: মহারণের দ্বিতীয় দফা আজ। দ্বিতীয় দফার ভোটেও (West Bengal Elections 2026 Phase 2 Voting) রেকর্ড ভোটদান। সকাল ১১টা পর্যন্ত মোট ভোটের হার ৩৯.৯৭%। সাম্প্রতিক সময়ে এই ব্যাপক পরিণামে ভোটদানের হার নজিরবিহীন বলা হচ্ছে। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট হলেও বেলা বাড়লে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় দফায় চেনা ফর্মে ফিরল ভাঙড় (Bhangar)। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রের সাইহাটি এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়, যখন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা নওশাদ সিদ্দিকী-কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। তাঁকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন শাসকদলের সমর্থকরা। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সিদ্দিকীর অভিযোগ, সকাল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভোট চললেও পরে ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বুথ নম্বর ২৫৮ ও ২৫৯-এ ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সকাল থেকেই একাংশ ভোটারকে বুথে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না এবং এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়।এই খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী। সেখানে গিয়ে ক্ষুব্ধ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। ভোটের আগের রাতে হিংসার অভিযোগে উত্তপ্ত ভাঙড়। একদিকে তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা পুলিশের বিরুদ্ধে ‘তাণ্ডব’ চালানোর অভিযোগ তুলেছেন, অন্যদিকে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui) শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয় দেখানোর পাল্টা অভিযোগ এনেছেন। ভাঙড়ের বিদায়ী বিধায়র নওশাদ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারছেন না, তা নিয়ে সরব হন তিনি। দ্বিতীয় দফার ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের ঘটকপুকুর এলাকায় দেখা গিয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দলকে। ভাঙড়ে বিস্ফোরণ মামলা এবং বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় দুটি পৃথক মামলার তদন্ত করছে তারা। আগেই এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: ‘সিংহম’ অজয় পাল শর্মাকে নিশানা মমতার! ভিনরাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষক প্রসঙ্গে বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো?







