কোচবিহার: কোচবিহারের (Cooch Behar) সভা শেষ, হেলিকপ্টারে ওঠার মুখে শেষ বার্তা। বাংলায় জয়ের ‘ফর্মুলা’ কী? সরাসরি তাই বুঝিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রবিবার রাসমেলা ময়দানের সভা মিটিয়ে হেলিপ্যাডে পৌঁছে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “মহিলারা ভোট দেবেন? যুবরাও দেবেন তো?” জবাবে সমর্থনের ঢেউ উঠতেই মোদির সংক্ষিপ্ত মন্তব্য, “তাহলে জিত জায়েঙ্গে পাক্কা।”
প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে তাৎপর্য খুঁজছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপির অন্দরে বহুদিন ধরেই মহিলা ও যুব ভোটকে ‘গেমচেঞ্জার’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সেই সমীকরণই যেন আবারও স্মরণ করিয়ে দিলেন মোদি।
আরও পড়ুন: টানা ৪ দিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমবে তাপমাত্রা
এদিন কোচবিহারের সভা থেকেও আক্রমণের সুর ছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মোদি দাবি করেন, এ বার বাংলায় “নিরপেক্ষ ভোট” হবে এবং নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁর “পূর্ণ আস্থা” রয়েছে। তাঁর কথায়, “এ বার নির্ভয়ে ভোট হবে, পরিবর্তনের জন্য ভোট হবে।” ব্রিগেডের সভার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ওই সভা দেখে তৃণমূলের সিন্ডিকেট ঘাবড়ে গিয়েছে। ভোটের পর ওরা পালাবে।”
তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘অনুপ্রবেশ’ ইস্যুতেও সরব হন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে এবং তৃণমূল “অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক” হিসেবে ব্যবহার করছে। সেই কারণেই এসআইআর-এর বিরোধিতা করা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ রোখা হবে বলে আশ্বাস দেন মোদি।
ভোট ঘোষণার পর এ দিনই ছিল বাংলায় মোদির প্রথম জনসভা। ব্রিগেডের পর কোচবিহারের মঞ্চ থেকেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দিলেন, লক্ষ্য একটাই, বাংলা দখল। আর সেই লক্ষ্যেই মহিলা ও যুব ভোটকে সামনে রেখে ‘জয়ের অঙ্ক’ কষে দিলেন তিনি।







