ওয়েবডেস্ক- অশান্ত মধ্যপ্রাচ্যের (Middle East) আঁচ পড়েছে ভারতে! জ্বালানি সংকটে (Energy crisis) ভুগছে ভারত (India) । কারণ গ্যাসের সরবরাহে (Gas Supply) যুদ্ধের থাবা পড়েছে। তেল ও গ্যাসের সঙ্কটে ভুগছে গোটা বিশ্ব।
ইরান, ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের সবচেয়ে প্রভাব পড়েছে হরমুজ প্রণালীর ওপর, সামুদ্রিক পথ, সে পথ দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়ে থাকে। মারাত্মকভাবে ভুগছে ভারত।
ভারতে এলপিজি সিলিন্ডার (LPG cylinder) নিয়ে এক নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের পরিবর্তে গ্রাহকদের এখন অর্ধেক ভর্তি বা ৭ থেকে ১০ কেজির সিলিন্ডার দেওয়ার কথা ভাবছে তেল বিপণন সংস্থাগুলো। সিলিন্ডারে যতটা গ্যাস থাকবে, গ্রাহককে কেবল সেই পরিমাণ গ্যাসের জন্য ওজন অনুযায়ী দাম মেটাতে হবে। গ্যাসের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় যাতে বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে রান্নার গ্যাস পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই উদ্দেশ্যেই পূর্ণ সিলিন্ডারের বদলে এই বিকল্প সিলিন্ডার দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
বর্তমান সময়ে বুকিংয়ের সময়সীমা অনুযায়ী, শহরাঞ্চলে সিলিন্ডার রিফিলের জন্য ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকা বাধ্যতামূলক। বর্তমানে কলকাতায় ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৬৩ টাকা বেড়ে ৯৩৯ টাকা হয়েছে। এলপিজির চাহিদার ভারসাম্য রাখতে কেন্দ্র সরকার বড় একটি সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।
ভারতে ডোমেস্টিক সিলিন্ডারে ১৪.২ কেজি গ্যাস থাকে। যদিও সরবরাহ পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকে তাহলে এবার সিলিন্ডারগুলিতে ৭ বা ১০ কেজি গ্যাস ভরা হবে। তেমনই ১০ কেজির প্লাস্টিক সিলিন্ডারে দেওয়া হবে ৫ কেজি গ্যাস।
ওজনের ভিত্তিতে দাম ঠিক হবে, সেগুলিই বাড়ি বাড়ি সরবরাহ করা হবে। এখনও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
আরও পড়ুন- জ্বালানি সংকটে আরও বাড়বে বিমানভাড়া!
তবে সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমলেও বুকিংয়ের নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে। ১০ কেজির প্লাস্টিক সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ১৫ দিন, ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিনের যে সীমারেখা রাখা হয়েছে, তা অপরিবর্তিত থাকবে, কোন পরিবর্তন হবে না।
শনিবার পেট্রলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের সরবরাহ আরও ২০ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ৫০ শতাংশ করা হবে।







