উত্তর ২৪ পরগনা: ভোটবাক্সে মত বদলে পালাবদল ঘটিয়েছে রাজ্যের ভোটাররা। এর পরেই পর উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলার বসিরহাট (Basirhat) মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দ্বৈত চিত্র। একদিকে দীর্ঘদিন ঘরছাড়া থাকার পর বহু পরিবার ঘরে ফিরছে, অন্যদিকে ভোট-পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে একাধিক এলাকায়।
সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়া-আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতে দাবি করা হয়েছে, প্রায় আট বছর আগে শেখ শাহজাহানের অত্যাচারের জেরে প্রায় ২০০টি পরিবার এলাকা ছেড়ে বাইরে থাকতে বাধ্য হয়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তাঁরা ঘরছাড়া হয়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিজেপি (BJP) কর্মীদের সহায়তায় ওই পরিবারগুলি ফের নিজেদের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে বলে দাবি।
আরও পড়ুন: পালাবদল হতেই গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর! কোন মামলায় তাঁকে ধরল পুলিশ?
অন্যদিকে, হিঙ্গলগঞ্জ ও সন্দেশখালির বিভিন্ন এলাকায় ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছে। একাধিক বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, এমনকি বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতির জেরে শতাধিক তৃণমূল (TMC) কর্মী-সমর্থক এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি। হিঙ্গলগঞ্জের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী আনন্দ সরকার বলেন, “গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমরা হেরে গিয়েছি। মানুষ আমাদের সমর্থন করেনি, আমরা সেই রায় মেনে নিয়েছি। কিন্তু তারপরেও ভোট-পরবর্তী হিংসা চলছে। আমাদের বহু কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া। আমরা চাই এই হিংসা বন্ধ হোক।” তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার শান্তির বার্তা দিলেও বাস্তবে তা কার্যকর হচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি অতীতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকার বিদায় নেওয়ার পর তৃণমূল শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার পক্ষেই ছিল।
দেখুন আরও খবর:







