ওয়েবডেস্ক- খবরের শিরোনামে হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz) ! এবার ইরান-ইজরায়েল আমেরিকার (Iran-Israel-America) যুদ্ধে প্রাণ ওষ্ঠাগত আপামর বিশ্বের। কারণ এই হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে গোটা বিশ্বেই জ্বালানি সংকটের মুখে। ফলে হু হু করে দাম বাড়ছে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রীর। ফলে গোটা বিশ্বই সংকটের মুখে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী মুক্ত করার ঘোষণা করলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার (Britain’s Prime Minister Keir Starmer) । ৩৫টি দেশকে নিয়ে এই ঘোষণা করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। এই দেশগুলির মধ্যে অন্যতম হল ফ্রান্স, জার্মানির, ইতালি, জাপান, নেদারল্যান্ডস।
ইরান যুদ্ধে আমেরিকার পাশে না দাঁড়ানোয় ব্রিটেনকে একহাত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) । সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ‘ইরানের শিরচ্ছেদ করতে যে সমস্ত দেশ আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি তারা হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে নিজেদের তেল নিয়ে আসুন। অথবা আমেরিকার থেকে কিনুন।’ ‘বন্ধু’ দেশগুলির প্রতি হতাশা প্রকাশ করে ট্রাম্প লেখেন, ‘আপনারা নিজেরা লড়াই করতে শিখুন। এবিষয়ে আমেরিকা আর আপনাদের সাহায্য করবে না।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুঁশিয়ারির ২৪ ঘন্টা পরেই হরমুজ মুক্ত করার ঘোষণা করল ব্রিটেন।
বুধবার স্টারমার বলেন, হরমুজ করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করব। বিশ্বের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে শীঘ্রই আমাদের একটি বৈঠক হবে। সেখানে বিভিন্ন কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করার চিন্তাভাবনা করছি।” তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, হরমুজ দিয়ে যাতে আগের মতো নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করতে পারে। হরমুজে আটকে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। যত দ্রুত সম্ভব অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হরমুজ দিয়ে যাতে যাতায়াত করতে পারে তা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।” স্টারমারের এই ঘোষণার পর তেহরান কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই এখন দেখার।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে সরাসরি অংশ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র চাপ উপেক্ষা করার সিদ্ধান্তকে জোরালোভাবে সমর্থন করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তার জবাব, কোনও সুচিন্তিত পরিকল্পনা ছাড়া ব্রিটিশ সেনাদের অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া সম্ভব নয় এবং এ ক্ষেত্রে তিনি নিজের নীতিতে অটল রয়েছেন। কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘আমার লক্ষ্য জাতীয় স্বার্থে শান্ত ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দেওয়া। যত চাপই থাকুক, আমাদের মূল্যবোধ ও নীতির পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর শক্তি থাকতে হবে।’







