HomeScroll‘রাজনৈতিক ঔদ্ধত্যের মূল্য দিচ্ছে গরিবরা’, বিজেপির বুলডোজার নীতি নিয়ে সরব মমতা
Mamata Banerjee

‘রাজনৈতিক ঔদ্ধত্যের মূল্য দিচ্ছে গরিবরা’, বিজেপির বুলডোজার নীতি নিয়ে সরব মমতা

বাংলা বুলডোজার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, সরব তৃণমূল নেত্রী

কলকাতা: কোনও বেআইনি নির্মাণকে প্রশয় দেওয়া হবে না, রাজ্যে পালা বদলের পর সাফ জানিয়েছে বিজেপি। ‘বেআইনি নির্মাণ’ ভাঙতে রাজপথে নেমেছে বুলডোজার। হাওড়া স্টেশন লাগোয়া এলাকায় উচ্ছেদ, তিলজলা, পার্ক সার্কাসে থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে অবৈধ হকারদের। এর জেরে জনতার একাংশের ক্ষোভের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন তিনি।এ নিয়ে সরব হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সাফ কথা, বাংলা বুলডোজার রাজনীতিতে (Mamata Banerjee Criticizes Bulldozer Politics) বিশ্বাস করে না।রাজনৈতিক ঔদ্ধত্যের মূল্য দিচ্ছে গরিবরা।

এটা পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ নয়। এখানে বুলডোজার চালানো যায় না।” ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় আদালতে বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, “আদালতের রায় ছাড়া, আইন না মেনে বুলডোজার অপারেশন চালানো যাবে না। আপাতত এটা অন্তর্বতী নির্দেশ দেওয়ায় হোক রাজ্য সরকারকে।রাজ্য সরকারের বিলডোজার নীতি নিয়ে ফের সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি লেখেন, ‘বাড়িঘর থেকে শুরু করে ফুটপাথের দোকান, গরিবরা রাজনৈতিক ঔদ্ধত্যের মূল্য দিচ্ছে। বাংলা বুলডোজারের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নেতাজির ভূমিকে ভয়, বলপ্রয়োগ এবং সাধারণ নাগরিকদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে শাসন করা যায় না। তিনি যোগ করেন,’আজ আমরা যা দেখছি, তা আসলে বাংলার মানুষের সম্মানের ওপর আঘাত। দিনমজুর, হকার, ছোট দোকানদার এবং গরিব পরিবারগুলি তিলে তিলে জীবিকার মাধ্যম তৈরি করেছিল। সেখানে আঘাত হানা হচ্ছে’।

আরও পড়ুন: রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গির

তিনি বলেছেন, “বাড়িঘর থেকে হকারদের দোকান—রাজনৈতিক ঔদ্ধত্যের মূল্য আজ গরিব মানুষকে দিতে হচ্ছে। বাংলা বুলডোজারের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। হাওড়া স্টেশন লাগোয়া এলাকায় উচ্ছেদ, তিলজলা, পার্ক সার্কাসে জনতার একাংশের ক্ষোভের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন তিনি।মমতা লিখেছেন,’হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান, তিলজলা ও পার্ক সার্কাসের রাস্তায় ক্ষোভ দেখিয়েছেন মানুষ। আচমকা মাথা গোঁজার ঠাঁই ও রুজি-রুটি হারানো মানুষের তীব্র হাহাকার প্রমাণ করে যে এই সরকার মানবতার চেয়ে বাহ্যিক আড়ম্বর দেখাতে বেশি ব্যস্ত’।যে সরকার আগে ঘর ভাঙে এবং পরে কথা শোনে, তারা বাংলার আবেগকেই ভুলে গিয়েছে। প্রকৃত উন্নয়ন মাপা হয় একটি রাজ্য তার সবচেয়ে দুর্বল নাগরিকদের সঙ্গে কেমন আচরণ করছে তা দিয়ে, কত দ্রুত তাদের মুছে ফেলা হচ্ছে, সেটা দিয়ে নয়’। ‘সংস্কৃতি, সহানুভূতি এবং শোষণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঐতিহ্যে গড়ে ওঠা একটি রাজ্যে বুলডোজার কখনও প্রশাসনের ভাষা হতে পারে না’।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News