ওয়েব ডেস্ক: দ্বিতীয় দফার ভোটের (Assembly Election 2026) আর মাত্র ১২ ঘণ্টা আগে ফের চর্চায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র (Falta Assembly)। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) আচমকাই সরিয়ে দিল সেখানের জয়েন্ট বিডিও সৌরভ হাজরাকে। অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মার (IPS Ajay Pal Sharma) সঙ্গে অসহযোগিতা করেছেন তিনি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে পুরুলিয়ায় বদলি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে।
ফলতা কেন্দ্র দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। সেই কারণেই কমিশন বিশেষ নজরদারির জন্য ‘এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট’ হিসেবে পরিচিত আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা যায় তাঁকে। তবে সেই সক্রিয়তাই ইতিমধ্যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘মনে হচ্ছে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা,’ ‘সিংহম’ অজয়ের সমালোচনায় কী বললেন অধীর?
সোমবারের পর মঙ্গলবারও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের এলাকায় যান অজয় পাল শর্মা। সেখানেই প্রশাসন ও শাসকদলের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। পুলিশ পর্যবেক্ষককে ঘিরে ‘জয় বাংলা’ এবং ‘গো ব্যাক’ স্লোগানে সরব হন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, অজয় পাল শর্মার গাড়ি-সহ কমিশনের একাধিক গাড়ি বিক্ষোভের মাঝে আটকে পড়ে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ পর্যবেক্ষক নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন না, বরং বিজেপির প্রভাবেই পদক্ষেপ করছেন। পরিকল্পিতভাবে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি তাঁর। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ভয় দেখিয়ে ফলতার মানুষকে দমিয়ে রাখা যাবে না। গণতান্ত্রিক উপায়ে এর জবাব দেবে সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ফলতায় তৃণমূলকে হারানোর ক্ষমতা কারও নেই।
দেখুন আরও খবর:







