কলকাতা: রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূলের সুখেন্দু শেখর রায় (Sukhendu Sekhar Roy)। উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দিলেন তিনি। কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick) রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন। রাজ্যসভায় বঙ্গ-বিজেপি বাড়তি ২টি আসন পেতে চলেছে। রাজ্য বিধানসভায় সংখ্যার নিরিখে এই দুটি আসন পেতে চলেছে বিজেপি।
তৃণমূলের এখন দুটি ভাগ। লোকসভাতেও কি সেই ছবি দেখা যাবে? গত কয়েকদিন ধরেই এই জল্পনা বাড়ছে। তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করতে পারেন বলে খবর রটেছিল। তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার দিল্লি এসেছেন। আর ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দিতে রবিবার রাজধানীতে পা রেখেছেন স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার দিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকে থাকছে না আম আদমি পার্টি এবং ডিএমকে। এ ছাড়া বাকি সব বিরোধী দলের প্রতিনিধিই ওই বৈঠকে রয়েছেন। কংগ্রেস থেকে রয়েছেন রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধীরা। তাঁদের বৈঠক শুরুর আগেই সুখেন্দুশেখরের ইস্তফায় ধাক্কা খেল তৃণমূল।
আরও পড়ুন: ‘গতকাল তো ট্রেলার দেখেছে সরকার…,’ শিক্ষামন্ত্রীকে বিরাট হুঁশিয়ারি ককরোচ জনতা পার্টির
রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়তে পারেন কোয়েল মল্লিক। গত এপ্রিলে রাজ্যসভার সাংসদ পদে শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক।কোয়েল মল্লিকের নাম সামনে আসায় জল্পনা আরও বেড়েছে। এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর সম্ভাব্য ইস্তফার খবর রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যদি এই পদত্যাগ সত্যি হয়, তাহলে তা তৃণমূলের সংসদীয় রাজনীতিতে বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখা হবে।
বিধানসভা ভোটে রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই সুখেন্দুশেখর দলের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। আরজি করের ঘটনার সময় তিনি মুখ খুলেছিলেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তবে তার পরেও দলের সঙ্গে থেকেছেন।মমতার কাছে ইস্তফার চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে সর্বত্র বেলাগাম দুর্নীতির কথা উল্লেখ করেছেন তিনি পদত্যাগপত্রে। দিল্লি থেকে জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজনীতি থেকেও তিনি অবসর নিতে পারেন। সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পাশাপাশি দল থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা করলেন সুখেন্দু শেখর রায়। সোমবার তারপরই করলেন বিস্ফোরক মন্তব্য। তৃণমূল নিয়ে সমালোচনায় মুখর হলেন বর্ষীয়ান নেতা। সুখেন্দুশেখরের দাবি, দলের অন্দরে দুর্নীতি এবং দল নিয়ে মানুষের ক্ষোভ মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তাই পতন ছিল অনিবার্য







