বারুইপুর: বারুইপুরে নাবালিকা নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় (Baruipur Incident) গ্রেফতার হওয়া অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হল পুলিশের গুলিতে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণ (রিকনস্ট্রাকশন) চলাকালীন তিনি পালানোর চেষ্টা করেন এবং এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে গুলি চালান বলে দাবি পুলিশের। সেই পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হন পুলিশকর্মীরা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রভাসকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, রাত প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিটে সূর্যপুরের ঘটনাস্থলে প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য। সেই সময়েই আচমকা এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে একটি গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। এরপর ধাওয়া করে পুলিশ। পাল্টা গুলিতে আহত হন প্রভাস।
বারুইপুর কাণ্ডে শুভেন্দুর পদক্ষেপের প্রশংসা অরূপের, বললেন ‘মুখ্যমন্ত্রী ভালো কাজ করছেন’ – KolkataTV
বারুইপুরের বহুল আলোচিত এই ঘটনায় প্রথম গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত ছিলেন প্রভাস মণ্ডল। তদন্তকারীদের দাবি, জেরার সময় তাঁর বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে এবং তিনি তদন্তকে বিভ্রান্ত করারও চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশ সূত্রের দাবি, জেরায় প্রভাস জানিয়েছিলেন, টাকার প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছিল। নির্যাতনের পর দেহ বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেওয়ার বিষয়েও তথ্য মিলেছিল তাঁর কাছ থেকেই।
এদিকে, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ইঙ্গিত মিলেছে, নাবালিকাকে সম্ভবত অচেতন অবস্থাতেই বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ এবং তদন্ত এখনও চলছে।
তবে প্রভাসের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের বর্ণনাই বর্তমানে প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সত্যতা এবং পুলিশের পদক্ষেপের আইনগত মূল্যায়ন তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।







