ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল (FIFA WORLD CUP 2026)। শেষ ম্যাচের বাঁশি বাজতেই চোখের জল লুকোতে পারলেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (Christiano Ronaldo)। ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চ থেকে বিদায় নিলেন আবেগে ভেঙে পড়ে। তবে হতাশার মাঝেও নিজের অবদানের কথা মনে করিয়ে দিতে ভোলেননি পর্তুগিজ মহাতারকা। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, তাঁর আগের পর্তুগাল আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোনও বড় ট্রফির স্বাদ পায়নি।
স্পেনের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগেই রোনাল্ডো ঘোষণা করেছিলেন, এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। সেই প্রতিশ্রুতি রেখেই শেষবারের মতো দেশের জার্সিতে বিশ্বকাপ মঞ্চে নামেন তিনি। প্রাণপণ লড়াই করেও স্বপ্নপূরণ না হওয়ায় ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “বিশ্বকাপ এভাবে শেষ হওয়ায় আমি ভীষণ হতাশ। নিজের সবটুকু দিয়েছি। বিবেকের কাছে আমি পরিষ্কার।”
আরও পড়ুন: জিম্বাবোয়ে সিরিজে চমক, দলে নেই সঞ্জু স্যামসন
এর পরেই আত্মবিশ্বাসী সুরে রোনাল্ডোর সংযোজন, “আমি পর্তুগালকে তিনটি আন্তর্জাতিক ট্রফি দিয়েছি। আমার আগে পর্তুগাল কিছুই জেতেনি। ২০১৬ সালে ইউরো জয় আমার কাছে বিশ্বকাপের থেকেও কম নয়।” তাঁর এই মন্তব্য ইতিমধ্যেই ফুটবল মহলে তুমুল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
রোনাল্ডোর বিদায়ের পরই পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ পদত্যাগ করেছেন। ফলে নতুন যুগের শুরু হতে চলেছে পর্তুগিজ ফুটবলে।
ইউসেবিও কিংবা লুইস ফিগোর মতো কিংবদন্তিরা বিশ্ব ফুটবলে পর্তুগালকে পরিচিতি দিলেও দেশের ট্রফি ক্যাবিনেট সমৃদ্ধ করার ইতিহাস গড়েছেন রোনাল্ডো। তাঁর হাত ধরেই ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলে পরিণত হয়েছে পর্তুগাল। এখন প্রশ্ন, রোনাল্ডো-পরবর্তী অধ্যায়ে সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারবে কি পর্তুগাল? উত্তর দেবে সময়ই।







