ওয়েব ডেস্ক : পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (municipal recruitment scam) গ্রেফতার সুজিত বসুর (Sujit Bose) জামিনের আবেদন নিয়ে মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) শুনানি হল। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে সুজিত বসুর আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি (Abhishek Singhvi) দাবি করেন, তদন্তের শুরু থেকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনও প্রত্যক্ষ পদক্ষেপই করেনি ইডি। অথচ পরবর্তীতে তাঁকেই মামলার মূল অভিযুক্ত বা ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
শুনানিতে মনু সিংভি (Abhishek Singhvi) জানান, ২০২৩ সালের মে মাসে ইসিআইআর দায়ের হলেও প্রায় তিন বছর সুজিত বসুকে তলব বা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। এমনকি ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দাখিল হওয়া চার্জশিটেও তাঁর নাম ছিল না। তাঁর দাবি, এফআইআর, চার্জশিট কিংবা অতিরিক্ত চার্জশিট কোথাও সুজিত বসুর নাম উল্লেখ না থাকলেও দ্বিতীয়বার তলবের সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
আরও খবর : শর্তসাপেক্ষে কালীঘাট তৃণমূলের মিছিলে অনুমতি হাইকোর্টের
এ সময় বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানতে চান, সুজিত বসুর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী। জবাবে মনু সিংভি বলেন, ইডি তাঁদের গ্রেফতারি নথিতে সুজিত বসুকে (Sujit Bose) পুর নিয়োগ দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে উল্লেখ করেছে। ১৫০টি বেআইনি নিয়োগের অভিযোগ তুলেছে। তবে তাঁর দাবি, তদন্তে ডাকা হলে সুজিত বসু দু’বারই হাজিরা দিয়ে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন।
মঙ্গলবার শুনানি শেষ না হওয়ায় মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা। ওই দিন ইডির বক্তব্য এবং জামিনের আবেদন নিয়ে ফের বিস্তারিত শুনানি হবে।
দেখুন অন্য খবর :






