ওয়েব ডেস্ক : রবিবার সন্ধ্যায় সৌরপৃষ্ঠে ঘটে গিয়েছে ভয়াবহ ঘটনা। সেদিন সূর্যের (Sun) বুকে ভয়াবহ সৌর শিখা তৈরি হয়েছে। তার কারণে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। সৌরশিখা (Solar Flare) থেকে পৃথিবীর (Earth) দিকে ধেঁয়ে আসছে একের পর এক আগুনের হলকা। যার প্রভাব ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার পৃথিবীতে পড়তে পারে বলে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তার ফলে কী কী হতে পারে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
জানা যাচ্ছে, ‘রিজিয়ন ৪৩৬৬’ (Region 4366) সানস্পট গত দু’দিন ধরে সূর্যের বুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। এর আগে যা ২০২৪ সালের অক্টোবরে দেখা গিয়েছিল। মূলত, গত রবিবার সন্ধ্যায় সূর্যের বুকে শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়েছিল। যার বিকিরণ ধেঁয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। মার্কিন সংস্থা NOAA-এর স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টারের তরফে জানানো হয়েছে, এর কারণে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার ভূ-চৌম্বকীয় কার্যকলাপ বা জিও-ম্যাগনেটিক অ্যাক্টিভিটি চরমে পৌঁছতে পারে।
আরও খবর : কোন শর্তাবলীতে চূড়ান্ত ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি?
তবে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, প্লাজমার একটি বিশাল যে মেঘ পৃথিবীর (Earth) দিকে এগিয়ে আসছে, তা হয়তো সরাসরি পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে না। কিন্তু তার কিছু প্রভাব পৃথিবীতে পড়তে পারে। সূত্রের খবর, এই মহাজাগতিক ঘটনার কারণে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে রেডিও ব্ল্যাকআউট দেখা দিয়েছে। এই সৌড় ঝড়ের কারণে জিপিএস, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও স্যাটেলাইট যোগাযোগে প্রভাব ফেলতে পারে।
মহাকাশ গবেষণা সংস্থা আগেই জানিয়েছিল, ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত সর্বাধিক সক্রিয় থাকবে সূর্য। সেই সক্রিয়তার কারণে ‘রিজিয়ন ৪৩৬৬’ সানস্পট নতুন আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। তবে এর প্রভাব পৃথিবীতে কতটা পড়বে, তা ৫ ফেব্রুয়ারিতেই বোঝা যাবে।
দেখুন অন্য খবর :







