ওয়েব ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনের কয়েকমাস আগে পশ্চিমবঙ্গে জোর কদমে চলছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এ দিন এনিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সঙ্গে জানতে চাইলেন বাংলায় কতজন রোহিঙ্গার নাম বাদ গেল? তালিকা দিক কমিশন।
বাংলায় (West Bengal) এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ভোটারের নাম। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেকটা কম। পরিসংখ্যান দিয়ে অভিষেক বলেছেন, ‘তামিলনাড়ুতে মোট জনসংখ্যা ৭ কোটি ৭৫ লক্ষ। সেখানে বাদ যাওয়া ভোটারের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ৩০ হাজার। শতকরা হিসাবে ১২.৫৭ শতাংশ। গুজরাটে জনসংখ্যা ৭ কোটি ৩৯ লক্ষ। বাদ যাওয়া ভোটারের সংখ্যা ৭৩ লক্ষ ৭৩ হাজার। প্রায় ১০ শতাংশ। ছত্তীসগঢ়ের জনসংখ্যা ৩ কোটি ১২ লক্ষ। বাদ যাওয়া ভোটারের সংখ্যা ২৭ লক্ষ ৩৪ হাজার। শতাংশে ৮.৭৬ । কেরলে ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ভোটারের মধ্যে নাম বাদ গিয়েছে ২৪.৮ লক্ষ মানুষের। শতকরা হিসাবে তা ৬.৬৫ শতাংশ। তবে বাংলায় ১০.৫ কোটি ভোটারের মধ্যে ৫৮.২০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। শতাংশের হিসাবে যা ৫.৭৯ শতাংশ। যা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেকটাই কম। এই তথ্য গুলি তৃণমূল নয়, বরং নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বলে জানিয়েছেন অভিষেক।
আরও খবর : ৩১ ডিসেম্বর ‘দিল্লি চলো’ অভিষেকের
এর পাশাপাশি পাঁচটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। প্রথমত, বাংলায় বাদ যাওয়া ভোটারদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা রয়েছেন, তার তালিকা দেওয়া হোক। দ্বিতীয়ত, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মিজোরামের মতো সীমানা লাগোয়া রাজ্যে কেন হল না এসআইআর? তৃতীয়ত, বাংলায় কম নাম বাদ গিয়েছে, কিন্তু তা সত্বেও অন্যান্য রাজ্যগুলিতে নোটিস পাঠানো হচ্ছে না কেন? চতুর্থ, যেখানে সব থেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে, সেখানে কেন মাইক্রো অবজার্ভাররা গেলেন না? বাংলায় কেন দু’দিন অন্তর অন্তর নোটিস পাঠানো হচ্ছে? পঞ্চম, প্রথমে বলা হয়েছিল ৪৫% ম্যাপিং পাওয়া যাচ্ছে। পরে দেখা গিয়েচে, ম্যাপিং হয়েছে ৮৯.৬৫%। তাহলে কেন ক্ষমা চাওয়া হবে না? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
অন্যদিকে রাজ্যে শনিবার থেকে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানি। তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের সদস্যরা তাতে ডাক পেয়েছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এর মাঝেই এসআইআর ইস্যুতে একাধিক প্রশ্ন করলেন অভিষেক।
দেখুন অন্য খবর :







