কলকাতা: রাতভর টানা বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত কলকাতা (Kolkata)। শুক্রবার সকালে ঘুম ভাঙতেই শহরের একাধিক এলাকায় জল জমে যাওয়ায় ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। স্ট্র্যান্ড রোড-সহ বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। অফিসযাত্রী থেকে স্কুলপড়ুয়া, সকলেরই নিত্যযাত্রায় বিঘ্ন ঘটেছে প্রবল বর্ষণের জেরে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবারও কলকাতায় প্রায় ৯০ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনভর বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে।
আরও পড়ুন: ১৬ বছর পর কলকাতার দুই থানায় মহিলা ওসি, একসঙ্গে রদবদল ৩৩ ইন্সপেক্টরের
আবহাওয়াবিদদের মতে, পূর্ব বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি রাজস্থান থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখার প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট বেড়েছে। এই পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে রয়েছে হলুদ সতর্কতা।
এদিকে, শুক্রবার ও শনিবার সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনায় উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।







