ওয়েবডেস্ক- এবারে রাজ্য ভোটে প্রায় ২২ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক (Migrant votes) ভোট দিয়েছে। ভিন্ন রাজ্য থেকে এরা যে কোন ভাবে এই রাজ্য পৌঁছে তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার (Democratic Rights ) প্রয়োগ করেছে। বিজেপির (BJP) অন্দরের খবর, বিভিন্ন রাজ্যের নেতারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছে, কিভাবে তাদের রাজ্য বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক রা ভোট দিতে পশ্চিমবঙ্গে গেছে। সেই রিপোর্টে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সব হিসাব গোলমাল হয়ে গেছে।প্রথম দফায় অধিকাংশ পরিযায়ী ভোট পড়েছে। আর প্রথম দফার ভোটে বিজেপির চাপ তাতেই বেড়ে গেছে।
মনে করছে কেন্দ্রীয় নেতারা, পরিযায়ী ভোট যদি বেশিটা শাসক দলের পক্ষে যায়, তবে অনেক হিসাব উলোট পালোট হয়ে যাবে। তাই এই ভোট কোন দিকে তার বিশ্লেষণ করতে বসেছে কেন্দ্রীয় নেতারা। এসআইআর বিরোধী ভোট হলে, বহু পরিযায়ী শ্রমিক সেই দিকে যেতে পারে বলে মনে করেছে বিজেপি নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন- ভোট না দিলেই কি নাম বাদ? কী বলছে কমিশনের নিয়ম? একনজরে জেনে নিন আসল তথ্য
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে এবার ভিন রাজ্যে কাজ করা শ্রমিকরা যেন তেন প্রকারে ভোট দিতে রাজ্যে আসেন। ভয় ছিল একটাই, এসআইআর-এর পর ভোট কেটে যেন না যায়। এই জন্য বাইরে কাজ করা পরিযায়ীরা দলে দলে ঘরে ফিরতে থাকে। ট্রেনের টিকিট না পেয়ে তারা বাসে টিকিট বুক করেও ঘরেও ফেরেন। এমনকী এর জন্য মোটা টাকা গুণতে হয় তাদের।
বাস মালিকদের বক্তব্য, দুর্গাপুজো ও ঈদে যা ভিড় হয়, তার থেকেও ছাপিয়ে গেছে ভিড়। সকল পরিযায়ীরা বাড়ি ফিরতে মরিয়া। ফলে বেশি ভাড়ার টিকিট কেটে, না ঘুমিয়ে, কোনও রকমে ভোট দিতে বাংলায় ফেরে তারা। এবছর প্রথম দফার ভোটে প্রায় ৯২ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। যা স্বাধীনতা পরবর্তী রেকর্ড ভোট পড়েছে। এই ভোট নিয়ে একদিকে উচ্ছ্বসিত বিজেপি। তাদের বক্তব্য, তারাই এবার রাজ্যপাট দখল করবে। অপরদিকে রাজ্যের শাসকদলের বক্তব্য, এসআইআর-এর পর এই ভোট, নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি সরকারকে মুখের মতো জবাব দিয়েছে সাধারণ মানুষ। এখানেই বিজেপির প্রশ্ন কতজন পরিযায়ীর ভোট তাদের ভাগ্যের পড়ল।







