দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের (Assembly Election 2026) আগেই চর্চায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র (Falta Assembly)। সোমবার এই আসনের তৃণমূল (TMC) প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের (Jahangir Khan) বাড়িতে গিয়ে তাঁকে ‘সাবধান’ থাকার হুঁশিয়ারি দিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা (IPS Ajay Pal Sharma)। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মঙ্গলবার সকালেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ফলতার বিভিন্ন এলাকায় রুট মার্চ করেন অজয় পাল। খানপাড়া এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের পাশের পাড়ায় গিয়ে সম্ভাব্য গোলমালকারীদের খোঁজখবর নেন তিনি। সেখানে ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার যখন অজয় পালের কনভয় তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই তাঁদের সামনে শুরু হয় বিক্ষোভ। ‘জয় বাংলা’ ও ‘গো ব্যাক’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন স্বয়ং জাহাঙ্গির খান। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, অজয় পালের গাড়ি এগিয়ে গেলেও তাঁর কনভয়ের পিছনের কয়েকটি গাড়ি সাময়িকভাবে আটকে পড়ে।
আরও পড়ুন: ভোট না দিলেই কি নাম বাদ? কী বলছে কমিশনের নিয়ম? একনজরে জেনে নিন আসল তথ্য
সোমবার জাহাঙ্গিরের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের হানার পর থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। অজয় পাল শর্মা, যিনি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন, তিনি শাসানোর সুরে সাবধান করেছিলেন যে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা হলে তার পরিণতি ভাল হবে না। এরপরই তাঁর এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। ঘটনার পর তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান সরাসরি নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। দলের প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, ‘‘কার কাজ ঠিক বা ভুল, তা নির্বাচন কমিশনই বিচার করবে। তবে যদি সাধারণ মানুষ ভোট দিতে না পারেন, তা হলে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। তখন তৃণমূলকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না।’’
দেখুন আরও খবর:







