নয়াদিল্লি: উত্তর ভারত (North India) জুড়ে আচমকা বদলে গেল আবহাওয়ার ছবি। একদিকে কাশ্মীর (Kashmir) ও হিমাচলের (Himachal) পাহাড়ে তাজা তুষারপাত, অন্যদিকে দিল্লিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো বৃষ্টি—সব মিলিয়ে শীতের মাঝেই প্রকৃতির জোরালো প্রত্যাবর্তন। রবিবার ভোর থেকেই রাজধানী দিল্লির আকাশে মেঘের গর্জন, দমকা হাওয়া ও বৃষ্টিতে জনজীবন কিছুটা ব্যাহত হয়। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর (IMD) ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করে।
নারেলা, বাওয়ানা, রোহিণী, মুন্ডকা, পাঞ্জাবি বাগ, রাজৌরি গার্ডেন, দ্বারকা-সহ রাজধানীর একাধিক এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে আরও এক দফা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৃষ্টির ফলে দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: জনগণনা নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি কেন্দ্রের!
অন্যদিকে, তীব্র পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ অংশে শুরু হয়েছে তুষারপাত। গুলমার্গ, পহেলগাম-সহ একাধিক পার্বত্য এলাকায় বরফের চাদর নেমেছে। শ্রীনগর ও সংলগ্ন সমতল এলাকাতেও বইছে দমকা হাওয়া। টানা তুষারপাতের জেরে শ্রীনগর বিমানবন্দরে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে, পাশাপাশি শ্রীনগর–জম্মু জাতীয় সড়কও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ট্রেন পরিষেবাতেও প্রভাব পড়েছে।
হিমাচল প্রদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র মানালিতেও দেখা মিলেছে তাজা তুষারপাতের। সাদা বরফে ঢেকে গিয়েছে গোটা শহর। একদিকে যেখানে যাতায়াতে কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সেখানে পর্যটকদের মধ্যে উৎসাহের পারদ চড়ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মহলের আশা, এই তুষারপাত মানালিতে পর্যটনের নতুন জোয়ার আনবে।







