নয়াদিল্লি: সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA) মেটানোর ক্ষেত্রে এ বার সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) গঠিত মনিটরিং কমিটি। রাজ্য সরকারকে জানানো হয়েছে, যাঁদের ই-সার্ভিস বুক ইতিমধ্যে স্ক্যান করে আপলোড করা হয়েছে, তাঁদের ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তির টাকা আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। এই তালিকায় রয়েছেন ৬৪,৭৫৯ জন সরকারি কর্মী।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ওই ৬৪,৭৫৯ জনের ই-সার্ভিস বুক স্ক্যান করে আপলোডের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। পুরনো কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র হিসাব নির্ভুল ভাবে করতে ই-সার্ভিস বুকের তথ্য আপডেট করা প্রয়োজন বলে রাজ্য মনিটরিং কমিটিকে জানিয়েছিল। সেই কাজ এখনও চলছে।
রাজ্য আরও জানিয়েছে, ১,৩৩,৯৯১ জন কর্মীর সার্ভিস বুক আপডেট করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে যাঁদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ইতিমধ্যেই পাওয়া গিয়েছে এবং ই-সার্ভিস বুক আপলোড করা হয়েছে, তাঁদের টাকা আটকে না রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিটি।
২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ বাবদ রাজ্যকে মোট ১১,৯৮৩ কোটি টাকা মেটাতে হবে। সেই অর্থ কী ভাবে এবং কোন সময়সীমার মধ্যে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মলহোত্রের নেতৃত্বে মনিটরিং কমিটি গঠন করেছিল।
গত বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানিতে কমিটি নিজেদের বক্তব্য জানায়। আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলি রিপোর্ট আকারে সব পক্ষকে জানাতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যেই রিপোর্ট জমা দিয়েছে কমিটি।
মামলাকারী সরকারি কর্মীদের একাংশের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্ট আগেই ডিএ মেটানোর পদ্ধতি ও সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। তাঁর বক্তব্য, যত দ্রুত সম্ভব বকেয়া টাকা কর্মীদের মিটিয়ে দেওয়া উচিত। এখন নজর ৩ সেপ্টেম্বরের দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রথম কিস্তির ডিএ মেটানো হয় কি না, সে দিকেই তাকিয়ে সরকারি কর্মীদের একাংশ।







