Friday, January 23, 2026
HomeScroll১৫ বছর বাদে কলকাতা বইমেলায় আসছে ‘যুদ্ধ বিধ্বস্ত’ চিন
Kolkata Book Fair 2026

১৫ বছর বাদে কলকাতা বইমেলায় আসছে ‘যুদ্ধ বিধ্বস্ত’ চিন

প্রতি বইমেলাতেই নিজের লেখা বই প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: ৪৯ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার (Kolkata Book Fair 2026) উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। প্রতি বইমেলাতেই নিজের লেখা বই প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।এবারের বই মেলায় ৯টি বই প্রকাশ হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ১৫ বছর বাদে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় এ বছর অংশগ্রহণ করতে চলেছে যুদ্ধ বিধ্বস্ত চিন। মঙ্গলবার বিকেলে সল্টলেকের বইমেলা প্রাঙ্গনের প্রেস কর্ণারে একটি সাংবাদিক বৈঠকে এমনই ঘোষণা করেছে মেলার আয়োজন সংস্থা ‘পাবলিশার্স এন্ড বুস সেলার্স গিল্ড’ কর্তৃপক্ষ। সে দেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যে মেলবন্ধনে ইতিমধ্যেই মেলা প্রাঙ্গনে এফ ৬–এ সেজে উঠছে চিনা স্টল। গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘২০১১ সালের পর চিন বইমেলায় আসছে। শেষ মূহূর্তে তাঁরা যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। তাঁদের জন্য জায়গার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।’’

ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্য তো বটেই, সব মিলিয়ে এ বছর কলকাতা বইমেলায় ২১ টি দেশ বইমেলায় নিজের স্টল সাজিয়ে বসছে। এবারে ২০২৬ সালের ৪৯তম বইমেলার ফোকাল থিম কাট্রি ‘আর্জেন্টিনা’। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রথমবার ইউক্রেন কলকাতা বইমেলাতে যোগ দিচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও  কলকাতা আন্তর্জাতিক ‘পুস্তক পার্বণে’র উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন গিল্ড সভাপতি সুধাংশু শেখর দে জানিয়েছেন, এ বছর বইমেলায় জীবনব্যাপি সাহিত্য সম্মান পাচ্ছেন সাহিত্যিক স্বপ্নময় চক্রবর্তী। যার অর্থ মূল্য ২ লাখ টাকা প্রদান করবেন মুখ্যমন্ত্রী। ৩০ জানুয়ারি বরিষ্ঠ নাগরিক দিবস, ‘চিরতরুণ’ সম্মাননা জ্ঞাপন করা হবে কবি মৃদুল দাশগুপ্ত, প্রকাশক রাজেন্দ্র কুমার মেহরা এবং পাঠক নির্মল ভট্টাচার্যকে। তারই আগে ২৪ এবং ২৫ জানুয়ারি এস বি আই অডিটোরিয়ামে কলকাতা লিটরেচার ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন: মধ্যমগ্রামে রঙের গুদামে ভয়াবহ আগুন, কীভাবে অগ্নিকাণ্ড এখনও স্পষ্ট নয়

এ বছরে বইমেলায় অংসখ্য মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশাবাদী মেলা কর্তৃপক্ষের। তাঁদের অনুমাণ, হাওড়া থেকে মেট্রো সংযোগ হওয়ার কারণেই হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান ইত্যাদি জেলা থেকে মানুষের ভিড় বাড়বে। তাই আগত দর্শকদের সুবিধার্থে বইমেলার ১ ও ২ নম্বর গেটের মাঝে মেট্রোর অস্থায়ী টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে। পাশাপাশি অ্যাপ ক্যাব, ট্যাক্সি, বাইকের জন্য নির্দিষ্ট কাউন্টারও খোলা হচ্ছে। বইমেলায় নাগরিকদের যাতায়াতের জন্য অতিরিক্ত বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবহণ দফতর। সল্টলেকের বিভিন্ন রুটের অটো, টোটো, ই–রিকশা ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে। অন্যদিকে, এ দিন বইমেলা প্রাঙ্গনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি জানিয়েছেন, বইমেলা চলাকালীন সুরক্ষা ব্যবস্থাকে মাথায় রেখে দমকলের বিশেষ বাহিনী মোতায়েন থাকছে। মেলার প্রতিটি গেটে দমকলের অতিরিক্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও মজুত রাখা হবে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বছর মেলায় বইয়ের স্টল বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৫৪ টি। গত বছরে ছিল ৯৭০টি। মেগা এই আয়োজনে অগ্নি সুরক্ষার আগাম ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিটি বুক সেলার, বিক্রিতা, প্রকাশন সংস্থা, স্টল কর্তৃপক্ষকে প্রাথমিকভাবে প্রশিক্ষিত করে তোলা হবে।

Read More

Latest News