ওয়েব ডেস্ক : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) ছাড়ল আমেরিকা (America)। এক বছর আগে থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। আর বৃহস্পতিবার মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রক্রিয়াটি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ব্লুমবার্গ এবং রয়টার্সের রিপোর্ট (Report) বলছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ছাড়লেও, প্রায় ২৬০ মিলিয়ন ডলারের অনাদায়ী অনুদান বকেয়া রয়ে গিয়েছে।
মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের তরফে এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজেদের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গিয়েছে। এমনটাই দাবি করা হয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসনের (Trump administration) তরফে। তাঁদের দাবি, বিভিন্ন মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনার সময়েও বেশ সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিল এই সংস্থা। তারা এই সময়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার ক্ষেত্রে দেরি করেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সংস্থা স্বার্থ বিরোধী কাজ করেছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে, অন্যান্য দেশের তুলনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অনেক বেশি অনুদান দেয় আমেরিকা। কিন্তু এই সংস্থার শীর্ষে কোনওদিন কোনও মার্কিন নাগরিক বসেননি।
আরও খবর : ভারতীয় পণ্যে শুল্ক কমাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন!
মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগে দাবি করেছে, মার্কিন প্রশাসনের তরফে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (World Health Organization) দেওয়া সমস্ত তহবিল বন্ধ করেছে। এমন কি বিশ্বের সমস্ত অফিস থেকে মার্কিন কর্মীদের প্রত্যাহারও করা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমস্ত গোষ্ঠীতেও অংশগ্রহণও আমেরিকা বন্ধ করে দিয়েছে।
রাষ্ট্রপুঞ্জের তথ্য বলছে, ২০২৪-২৫ সময়কালে ২৭ কোটি ডলারের বেশি অনুদান বকেয়া রেখেছে আমেরিকা। মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ জানিয়েছে, আমেরিকা এই অর্থ দিতে বাধ্য নয়। এ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক মুখপাত্র বলেছেন, এ নিয়ে আগামী কিছুদিনের মধ্যে আলোচনা হবে। তার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
দেখুন অন্য খবর :







