ওয়েব ডেস্ক: গণতন্ত্রের সবথেকে বড় উৎসবে শামিল মানুষ। বাংলায় ভয়মুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে রেকর্ড সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় মোতয়েন করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটারদের উপর লাঠিচার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনী, ছাড় পেল না মহিলা থেকে শিশু। দ্বিতীয় দফায় (WB Assembly Election Second Phase Election) বাহিনীর সংখ্যা আরও বেশি। অথচ সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) হাতেই আক্রান্ত হতে হচ্ছে রাজ্যের মহিলা থেকে শিশুদের। ভোটের দিন সাধারণ মানুষ, মহিলা এবং এক শিশুর উপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর হামলার অভিযোগ তুলে সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীরা। সমাজমাধ্যমে একাধিক পোস্ট করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপিকে নিশানা করা হয়েছে।
রাজ্যের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে একাধিক কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘অতিসক্রিয়তা’ এবং ভোটারদের মারধরের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এ দিন সকালেই ফলতা ও সাতগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের মারধরের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। সেই একই ধরনের অভিযোগ এবার হুগলির তারকেশ্বর বিধানসভায়। সাতগাছিয়া বিধানসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিতে এক শিশু জখম হয়েছে বলে অভিযোগ।সাঁতরাগাছির ১১৬ নম্বর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জে এক শিশু আহত হয়েছে বলে অভিযোগ। বাহিনীর সঙ্গে সাময়িক বচসায় জড়ান স্থানীয়রা। যদিও এহেন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি বাহিনীর। শিশুর অভিভাবকদের অভিযোগ, অশান্তি থামাতে গিয়ে তাঁদের পরিবারের খুদে সদস্যকে আঘাত করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। লাঠিচার্জের সময় জখম হয় সে। ওই নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়ান এলাকার বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন: আউসগ্রামে তৃণমূল কর্মীদের উপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর হামলা
তারকেশ্বর বিধানসভার বালিগরি এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিগরি অধর মণি দত্ত বিদ্যমন্দির স্কুলে ২১৮, ২১৯, ২২০, ২২১ চারটি বুথের ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করা হয়েছে। তারকেশ্বরের তৃণমূল প্রার্থী রামেন্দু সিংহ রায়ের অভিযোগ, ‘বুথের ভিতর জায়গা থাকলেও ভোটারদের বাইরে রোদে দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছিল। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বলতে যাওয়ায় অতর্কিত লাঠিচার্জ করে বুথে দায়িত্ব প্রাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তৃণমূলের মুখপাত্র সাগরিকা ঘোষ এক্স হ্যান্ডেলে দাবি করেন, বাংলার নাগরিকদের উপর অবিশ্বাস্য হিংসা চালানো হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, মহিলাদের উপর লাঠিচার্জের পর এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর আঘাতে এক শিশু আহত হয়েছে। এই ঘটনাকে তিনি ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও একই ইস্যুতে তোপ দাগেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। তিনি দাবি করেন, ভোটের দিন সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচারের সময় নিরীহ শিশুকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। তাঁর পোস্টে সাতগাছিয়া বিধানসভার নাম উল্লেখ করে বলা হয়, এই ঘটনার জেরে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।’সিইও মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal) সাফাই দিচ্ছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এবার লাঠি দেওয়াই হয়েছে লাঠিচার্জ করার জন্য।







