ওয়েবডেস্ক- বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্য রাজ্যনীতিতে চাঞ্চল্য। সক্রিয় ইডি (ED) । কয়লা পাচার মামলায় সোমবার আইপ্যাকের (I PAC) অন্যতম ডিরেক্টর ভিনেশকে (Vinesh Chandel ) গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বেআইনি লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ভিনেশ চান্ডেলকে। তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছে ইডি। গত ২ এপ্রিল ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। এবার সূত্র ধরেই ইডির নজরে এবার আইপ্যাকের কর্তার প্রতীক জৈন ও তার পরিবার। প্রতীকের বাড়িতে ও আইপ্যাকের অফিসে আগেই তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
সেই মামলাতেই সোমবার গ্রেফতার করা হয় আইপ্যাকের সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেলকে। সেই মামলালতে এবার ডাক পড়ল প্রতীকের স্ত্রী ও ভাইয়ের। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তথ্য নিয়ে প্রতীকের জৈন (Pratik Jain) স্ত্রী বার্বি জৈন ও তার ভাই পুলকিত জৈনকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বুধবার। গত ২ এপ্রিল প্রতীককে তলব করা হয়েছিল দিল্লিতে। এর পরেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন প্রতীক জৈন।
আরও পড়ুন- বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী, নয়া সমীকরণ লিখবে বিহারে রাজনীতি
প্রতীক জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত আছেন। তাই দিল্লি নয়, কলকাতায় হাজিরা দেবেন। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। আদালতের নির্দেশ, তারা তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। প্রতীকের পরিবারকে কেন ইডি তলব করেছে তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। প্রতীকের ভাই পুলকিতও আইপ্যাকের অন্যতম ডিরেক্টর।
গত ৮ জানুয়ারি কলকাতার আইপ্যাকের অফিস সহ সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাসভবনে বাসভবনে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় করেছিল। কেন্দ্রের এই আচরণে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।







