Tuesday, February 10, 2026
HomeScrollমমতার SIR মামলায় বড় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের
SIR

মমতার SIR মামলায় বড় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

এদিন বিচারপতি বাগচী কমিশনের ব্যবহৃত সফটঅয়্যার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন

ওয়েব ডেস্ক : এসআইআর তথা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (SIR)। এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গত ৪ ফেব্রুয়ারি, বুধবার এ নিয়ে শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেছিলেন তিনি। এর পর ৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার ফের এ নিয়ে শুনানি হয়েছে। এই মামলা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট।

এদিন প্রধান বিচারপতি সুর্য কান্ত-র (Surya Kant) বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। গত শুনানিতে রাজ্য গ্রুপ বি কর্মী দিতে পারবে কি না, তা জানতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্য কমিশনকে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে তারা ৮৫০০ কর্মী দিতে প্রস্তুত। এদিন সে কথা আদালতে জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আইজীবী। মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই ৮৫০০ অফিসাররা কি আগামিকালের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট ইআরও-দের কাছে রিপোর্ট করতে পারবেন?” সঙ্গে এইআরও-রা রাজ্য সরকারের আধিকারিক কি না, তা-ও জানতে চান তিনি। কমিশন তাতে উত্তর দেয়, “হ্যাঁ। তাঁদের পদমর্যাদা মাইক্রো অবজারভারদের থেকেও নীচে।”

আরও খবর : কানপুরে বেপরোয়া ল্যাম্বরগিনির ধাক্কায় ছিটকে গেলেন বাইক আরোহী

অন্যদিকে এই শুনানির সময় এদিন প্রধানবিচারপতি সূর্য কান্ত (Surya Kant) জানিয়ে দেন, “যে কোনও নির্দেশের প্রয়োজন হলে আমরা দেব। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা আমরা বরদাস্ত করব না। এই বিষয়টি সব রাজ্যকে স্পষ্ট ভাবে বুঝে নিতে হবে।” মাইক্রো অবজারভার প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি জানান, “মাইক্রো অবজার্ভারের কাজ ইআরও এবং এইআরও-কে সাহায্য করা। যদি রাজ্যের অফিসাররা যোগ দেন, তাঁরাও মতামত দিতে পারবেন। তাতে ইআরও-র সিদ্ধান্ত আরও মজবুত হবে।”

অন্যদিকে এদিন বিচারপতি বাগচী কমিশনের (Election Commission) ব্যবহৃত সফটঅয়্যার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, কমিশন যে সফটঅয়্যার টুল ব্যবহার করছেন, তাতে নামের সামান্য পার্থক্যের জন্য ডেকে পাঠানো হচ্ছে। বাংলাং পরিবারে অনেকে মধ্যনাম ‘কুমার’ ব্যবহার করেন। কিন্তু তা বাদ পড়লেও নোটিস পাঠানো হচ্ছে। সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বাস্তবে সফটঅয়্যার ব্যবহার করে আপনারা ব্যাপক ভাবে নোটিস পাঠিয়েছেন। আপনারা বলছেন, ৫০ বছরের ব্যবধান মানে দাদু-নাতির সম্পর্ক। কিন্তু বাস্তবে তো বিয়ে হয় প্রায় ২০ বছর বয়সেও। এই সব বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে আপনাদের কাজ মিলছে না। কারণ, এই ভাবেই সফটওয়্যার কাজ করেছে।” তিনি আরও বলেছেন, কিছু পরিবারে ৫–৬ সন্তান থাকলেও ৫০ বছর হলে নোটিস পাঠানো যুক্তিসঙ্গত হতে পারে। কিন্তু যেই সফটওয়্যার টুল ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত কঠোরভাবে কাজ করছে।

দেখুন অন্য খবর :

Read More

Latest News

toto DEPOBOS