কলকাতা: আসন্ন পশ্চিমবঙ্গের ভোটে (West Bengal Assembly Election)-জোটবদ্ধ হতে চলেছে বামফ্রন্ট এবং আইএসএফ। আইএসএফের সঙ্গেই জোট করে ময়দানে নামছেন আলিমুদ্দিন।বিমান বসু (Biman Bose) এবং মহম্মদ সেলিমের (Md Salim) সঙ্গে বৈঠক শেষে এমনটাই জানালেন নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)। আসন নিয়ে দুই দলের মধ্যে চলছে দর কষাকষি।আসন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেই বুধবার ফের বৈঠক হবে বলে জানিয়েছেন আইএসআই প্রধান তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।
মঙ্গলবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর সঙ্গে বৈঠক বসেছিলেন আইএসএফ চেয়ারম্যান তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। বৈঠকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট এবং আইএসএফের মধ্যে আসন সমঝোতার বিষয় নিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা হয় দুই নেতার মধ্যে। বৈঠকশেষে বেরিয়ে নওশাদ জানান, বুধবার ফের বৈঠক হবে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যানের সঙ্গে, ওই দিনই দু’পক্ষের জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়ে যাবে।ভাঙড়ের বিধায়ক বলেন, ‘‘জোট নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামিকাল হবে। জেলাভিত্তিক এবং লোকসভাভিত্তিক আলোচনা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:কেরলের নাম পরিবর্তনে খুশি, পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে কেন আপত্তি? বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী
হুমায়ুন কবীর আলিমুদ্দিনের কাছে দরজা বন্ধ। হুমায়ুন কবীর আলিমুদ্দিনের কাছে ‘ক্লোজড চ্যাপটার’! কংগ্রেসও জানিয়ে দিয়েছে, জোটে সিপিএমের সঙ্গে তারা নেই। হুমায়ুন ও কংগ্রেসের হাত ধরতে গিয়ে ব্যর্থ। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন। এই প্রেক্ষাপটে বামেদের কাছে ভরসা ছিল আইএসএফই! আজ মঙ্গলবার বিমান বসু, মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নওশাদ সিদ্দিকী। যেখানে জোট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও আসন নিয়ে চলছে দর কষাকষি। সূত্রের খবর, জোট হলেও ৪৫ টি আসনের নিচে নামতে চান না নওশাদ। এদিকে সিপিএম চায় তাঁদের ৩০ টি আসন ছাড়তে।







