ওয়েবডেস্ক- ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচনের দিন এবং ভোট পরবর্তী হিংসা ঘটনার সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের (Police Officer) নামের তালিকা চেয়ে পাঠালো নির্বাচন কমিশন (Election Commission) । এই ধরনের ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ আধিকারিক কারা কারা ছিলেন সেই তালিকা চেয়ে পাঠানো হয়েছে। আজ সন্ধ্যে ছটার মধ্যে সেই তালিকা জমা দেওয়া নির্দেশ।
রবিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার (Chief Electoral Officer Gyanesh Kumar) স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। সব ভোট কর্মী (Poll Worker) ও পুলিশকর্মীদের নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে। যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই রাজ্যের ডিজিপি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে রদবদল ঘটিয়েছে। সেইসঙ্গে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য বিতর্কিত আধিকারিকদের নির্বাচনের মূল দায়িত্ব থেকে দূরে রাখাই কমিশনের লক্ষ্য। সেইসঙ্গে কমিশন ২৮ ফেব্রুয়ারির পর বদলি হওয়া ও অবসর গ্রহণে পর পুনরায় নিযুক্ত হওয়া অফিসার সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে।
আরও পড়ুন- ভোটের আগেই কমিশনের ‘পঞ্চবাণ’! এক রাতে সরলেন রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের ৫ শীর্ষকর্তা, সামনে ডিএম-এসপি বদল
গত মহারাষ্ট্র এবং বিহার নির্বাচনের সময় থেকে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোটচুরি’ নিয়ে সরব হয়েছিল বিরোধীরা। ইভিএমে কারচুপি তোলা হয়েছিল। এবারেও ইভিএমে কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে গতকালই সাংবাদিক বৈঠক থেকে কড়াবার্তা দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কোনও প্রার্থী চাইলে নির্বাচনের পর সাতদিনের মধ্যে ইভিএম পরীক্ষা করানো যাবে। প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর ভোটের হার প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তা পাওয়া যাবে, ECINET অ্যাপে।” জ্ঞানেশ কুমার জানান, পশ্চিমবঙ্গে ৮০ হাজারের বেশি বুথ থাকবে। কিন্তু কোনও বুথে ১২০০-র উপর ভোটার থাকবে না। বুথে থাকবে বিশেষ সহায়তা ক্যাম্প। থাকবে নম্বরও। যেখানে যে কোনও রাজনৈতিক দল ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সমস্ত ভোটকেন্দ্রেই ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকছে।
এবারের ভোটে স্বচ্ছতা রাখতে কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন, সেটাই বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
বাংলায় দু’ দফায় ভোটগ্রহণ। কমিশন জানিয়েছে, ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ। গণনা ৪ মে। তামিলনাড়ুতে এক দফায় ভোট। ২৩ এপ্রিল ভোটদান। গণনা হবে ৪ মে। অসম, কেরলে, পুদুচেরিতেও এক দফায় ভোট। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে কমিশন জানিয়েছে, গুজরাট, গোয়া, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ডের একটি করে আসনে ও কর্নাটকে ও মহারাষ্ট্রে দুটি আসনে উপনির্বাচন রয়েছে। গোয়া, কর্নাটক, নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরায় উপনির্বাচন হবে ৯ এপ্রিল। গুজরাট ও মহারাষ্ট্রের উপনির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল। আট আসনে ভোট গণনা ৪ মে।







