দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। অন্য জেলাগুলিতেও ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি রয়েছে। ফলে গণনার দিন বাইরে বেরোলে সতর্কতা জরুরি বলেই মনে করাচ্ছেন আবহবিদেরা।
আরও পড়ুন: আমায় ঢুকতে দিচ্ছিল না কেন্দ্রীয় বাহিনী, স্ট্রং রুম থেকে বেরিয়ে বিস্ফোরক মমতা
উত্তরবঙ্গেও একই চিত্র। দার্জিলিং থেকে মালদহ, সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। হাওয়ার গতিবেগ ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে ৪ মে পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সতর্কতাও রয়েছে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৬ মে পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টি চলবে। মাঝেমধ্যে তার দাপট কিছুটা কমলেও ফের বাড়বে। অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গে ৭ মে পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে, কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।
কলকাতায় ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই নীচে নেমেছে। আকাশ মেঘলা, মাঝে মাঝেই বৃষ্টি। আবহবিদদের মতে, এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন জারি থাকবে।
প্রসঙ্গত, গণনার দিনের উত্তেজনার মাঝেও প্রকৃতির মেজাজ যে খামখেয়ালিই থাকবে, তা স্পষ্ট। ছাতা আর সতর্কতা। দুটিই তাই সঙ্গী করাই বুদ্ধিমানের।