বীরভূম: সোমবার বীরভূমে তৃণমূল প্রার্থী মোশারফ হোসেনের সমর্থনে জনসভা থেকে মোদিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে তোপ দাগেন মমতা। এদিন বীরভূমের (Mamata on Election Campaign in Birbhum) মুরারইতে ১টায় জনসভা ছিল মমতার। কিন্তু পৌনে ৩টে নাগাদ সভা শুরু হয়। পৌঁছেই ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি। বলেন, ‘‘লু খুব বেশি। আমার ৫০ মিনিট লাগার কথা।ফিরেও অনেক কর্মসূচি আছে। এত রোদে সকলে অপেক্ষা করে আছেন। বেশি ক্ষণ বলতেও পারব না। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।’’
মমতা বলেন, ‘‘আপনাদের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল, দ্বারকা নদীর উপর একটা স্থায়ী সেতু নির্মাণ। আমরা সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি। প্রাথমিক রিপোর্টও তৈরি হয়ে গিয়েছে। ৫৬ কোটি টাকার বেশি খরচ হবে। ভোটের জন্য কাজ শুরু করতে পারিনি। ভোট মিটলেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।

মমতা বলেন, ‘‘তিন সপ্তাহ পরে তৃণমূলের সরকারই আসছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইভিএম লুট করার। আমাদের কাছে খবর আসছে। গণনার মেশিনে যারা ভোট গুনতে যাবেন, তাঁরা বিষয়টি নজরে রাখবেন। যত ক্ষণ কম্পিউটারে ভোট না তোলা হবে, কেউ হাল ছাড়বেন না। লড়ে যাবেন। যুদ্ধ জয় করতে হবে।’’
লোকসভায় বিজেপির হারকে তুলে ধরে মমতা বলেন, ‘‘অহঙ্কারের পতন হবেই। বাংলায় জিতে আমরা দিল্লি দখল করব। গণতন্ত্রের জয় হবে।

ঝাড়গ্রামে গিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, ‘‘সব সাজানো। ১০ টাকা কখনও ওঁর পকেটে থাকে? কত নাটক! ঝালমুড়িও নিজেরা তৈরি করে রেখেছে। না হলে দোকানে ক্যামেরা ফিট করা থাকল কী করে?’’
আমাদের তো একটাই এজেন্সি, তোমাদের হাজারটা আছে। তাদেরও নাকি বাংলা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে— এতে লজ্জা লাগে না?

লক্ষ্য করা হয়েছে শুধু তৃণমূলকেই। অনেককে গ্রেফতার করার পরিকল্পনা করা হয়েছে— এমন একটি তালিকাও আমার হাতে এসেছে। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই হবে। এই বীরভূম থেকেই এক নেতা লড়ছেন, যিনি কয়লা থেকে কোটি কোটি টাকা রোজগারের অভিযোগে ঘেরা— ভদ্রতার খাতিরে তাঁর নাম নিচ্ছি না। দুর্নীতির দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে বিজেপিই।
বিজেপির কাছ থেকে কেউ কেউ টাকা নিয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ে নেমেছেন। ধর্ম বা দল— কোনওটাই বিক্রির জিনিস নয়। নির্দলদের কোনও নির্দিষ্ট আদর্শ বা পরিচয় থাকে না। যারা নিজের সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাদের কোনওভাবেই ক্ষমা করা উচিত নয়।

লোকসভায় আমরা বিজেপিকে হারিয়েছি। ২০২৬ সালেই বাংলায় হারাব ওদের। তার পর দিল্লি থেকে তাড়াব।’
মুরারইতে ১টায় জনসভা ছিল মমতার। কিন্তু পৌনে ৩টে নাগাদ সভা শুরু হয়। পৌঁছেই ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি। বলেন, ‘‘লু খুব বেশি। আমার ৫০ মিনিট লাগার কথা।এত রোদে সকলে অপেক্ষা করে আছেন। বেশি ক্ষণ বলতেও পারব না। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।







