HomeBig newsরাজনীতি থেকে অবসর রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর! ভোটে হেরেই কি কেরিয়ারে ইতি? দেখুন...
Snehasish Chakraborty

রাজনীতি থেকে অবসর রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর! ভোটে হেরেই কি কেরিয়ারে ইতি? দেখুন বড় খবর

তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা?

হুগলি: দীর্ঘ প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে (Political Career) ইতি টানলেন (Retire) রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রবীণ নেতা স্নেহাশিস চক্রবর্তী (Snehasish Chakraborty)। বৃহস্পতিবার হুগলির কানাইপুরে নিজের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি ঘোষণা করেন, ভবিষ্যতে আর সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবেন না। পাশাপাশি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও যুক্ত থাকবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানান, রাজনীতি থেকে সরে গেলেও জনজীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁর কাজ থেমে থাকবে না। লেখালেখি, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সামাজিক নানা ইস্যুতে মতামত প্রকাশের মাধ্যমে তিনি জনপরিসরে সক্রিয় থাকবেন।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে হুগলির জাঙ্গিপাড়া কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজেপি প্রার্থীর কাছে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি। ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে কার্যত দূরে ছিলেন স্নেহাশিস। এমনকি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাঁকে দেখা যায়নি। অবশেষে বৃহস্পতিবার নিজের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।

আরও পড়ুন: শওকতের বাড়িতে এনআইএ-র হানা!

রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্নেহাশিস বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং দল পরিচালনার ধরন তাঁর আদর্শ ও ভাবনার সঙ্গে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁর মতে, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের উন্নয়ন ও জনকল্যাণ। কিন্তু বর্তমানে রাজনৈতিক বিরোধিতা অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত আক্রমণ, কুৎসা এবং অশালীনতার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এই পরিবেশে নিজেকে আর যুক্ত রাখতে চান না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামো নিয়েও এদিন একাধিক প্রশ্ন তোলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও জেলা স্তরের নেতৃত্ব এবং কর্মীদের সঙ্গে আরও বেশি প্রত্যক্ষ যোগাযোগ থাকলে নির্বাচনের ফল ভিন্ন হতে পারত। তিনি দাবি করেন, দলের বহু নেতা-কর্মীর পক্ষে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজেদের বক্তব্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হত না, যা সংগঠনের একটি বড় সীমাবদ্ধতা ছিল।

একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্নেহাশিস। তাঁর অভিযোগ, বিধায়ক ও সাংসদদের স্বাধীনভাবে মতামত জানানোর পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হয়েছিল। নির্বাচনী পরাজয়ের পর বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির পদত্যাগ বা অবস্থান পরিবর্তনের ঘটনাগুলিকে তিনি সেই অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ বলেই ব্যাখ্যা করেন।

দেখুন আরও খবর:

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News