কলকাতা: ভোটের তিনদিন আগে থেকে বাইক বন্ধ (EC vehicle Rrestriction Controversy) করার কমিশনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। বাইক বন্ধ করার নির্দেশ আদালতে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মামলার শুনানিতে বিস্ফোরক বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, আপনাদের কর্তৃপক্ষ কোনও জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছে না? দুদিন আগে থেকে ইমারজেন্সি ঘোষণা করে ভোট করাক। তাহলে মানতে হবে কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ। এই ভাবে সাধারণ নাগরিকের অধিকার হরণ করা যায় না। আপনারা কেনও আপনাদের কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে পারছেন না? তাহলে গাড়িও বন্ধন করে দিন। তাতেও তো লোকজন বম আর্মস নিয়ে গিয়ে গোলমাল পাকাতে পারে। কোর্টকে দেখান, গত পাঁচ বছরে কত বাইকের বিরুদ্ধে FIR হয়েচে। কত ক্ষেত্রে বাইক বাহিনী গোলমাল পাকানোর নজির আছে। দুদিন আগে থেকে সব কিছু স্তব্ধ কিরে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ।
বিচারপরি বলেন, আবারও বলছি কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ঢাকতে এটা করা হচ্ছে। আপনারা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। যেহেতু ভোটের সময় আপনাদের ক্ষমতা বা এক্তিয়ার আছে। এটা অন্যায়। অন্য রাজ্যে কোথায় কথায় এমন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে, দেখান। ইলেকশন কমিশনের পাওয়ার আছে বলে যা খুশি করা যায় না। নাগরিককে এই ভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার জন্য হলেও মানা যায়। এখানে ৭২ ঘণ্টার বেশি।আপনাদের পুলিশ প্রশাসন আছে, সিসিটিভি আছে তাহলে এইগুলোর দরকার কি? সব বন্ধ করে দিন। বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। কিসের ভিত্তিতে? নজির কোথায়? রেফারেন্স দিন। অযৌক্তিক ভাবে এতদিন ধরে সব কিছু থামিয়ে রাখার চেষ্টা।আদালতের নির্দেশ, কমিশন কাল হলফনামা দিয়ে জানাবে কেনও তিনদিন আগে থেকে বাইক নিয়ে এই নিষেধাজ্ঞা। একইসঙ্গে বাইক নিয়ে অতীতের খারাপ উদাহরণ কি আছে।
আরও পড়ুন: ভোট আবহে নয়া চাঞ্চল্য, সুজিত বসুকে ইডির দফতরে হাজিরার নির্দেশ হাইকোর্টের







