ওয়েব ডেস্ক :‘ধর্ষকদের সকালে জমা করব, বিকেলে খরচ করব। আদালতে পাঠানোরও দরকার নেই’, ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে পুরুলিয়ার এক প্রচার থেকে এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অবশ্য বর্তমানে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু। এর পরেই বারুইপুরে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অ্যাকশন শুরু করেছে নতুন সরকারের পুলিশ (Police)। এনকাউন্টারে ‘খরচ’ গেল এই মর্মান্তিক ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডল।
গণধর্ষণের পরে গলায় পা দিয়ে চেপে, পুকুরের জলে ছুড়ে ফেলে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে বারুইপুরের ১১ বছরের মেয়েকে। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। নাবালিকার দেহ কোথায় ফেলা হয়েছিল সেই দেখিয়ে দিয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে সূর্যপুরে ঘটনাস্থলের পুনর্নির্মাণের সময় এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশের দিকে গুলি চালায় বলেও অভিযোগ। এরপর আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলি চালালে গুরুতর আহত হয় সে।
আরও খবর : অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা না মেলায় বেলপাহাড়ি বিডিও অফিস ঘেরাও
আহত অবস্থায় প্রভাসকে উদ্ধার করে বারুইপুর (Baruipur) মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের দাবি, যে নির্জন এলাকায় নাবালিকার উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল, সেই স্থানেই পুনর্নির্মাণ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে তদন্ত শুরু করা হয়।
প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর পরও বারুইপুর ধর্ষণ ও খুন মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের ভূমিকা, প্রমাণ সংগ্রহ এবং গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।
দেখুন অন্য খবর :







