ওয়েব ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) সংসদীয় নির্বাচনের (Election) মুখে আমেরিকার (America) সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের (Muhammed Yunus) নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের উপর আমদানি শুল্ক কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে, যা আগে ৩৭ শতাংশ থেকে ধাপে ধাপে কমিয়ে আনা হচ্ছিল।
ইউনুস নিজে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে এই চুক্তির কথা জানান। তাঁর বক্তব্য, সোমবার দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি সই হয়েছে এবং আমেরিকা তাদের শুল্কহার আরও কমিয়েছে।
আরও পড়ুন: জিমি লাইকে ২০ বছরের সাজা হংকংয়ের আদালতের
কতটা কমল শুল্ক?
প্রথমে নির্ধারিত ছিল: ৩৭%
পরে কমানো হয়: ২০%
নতুন চুক্তিতে: ১৯%
অর্থাৎ, সর্বশেষ ধাপে আরও ১ শতাংশ শুল্ক কমল বাংলাদেশি পণ্যের ক্ষেত্রে।
কোন খাতে বাড়তি সুবিধার ইঙ্গিত?
ইউনুস জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে শূন্য পারস্পরিক শুল্কে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাকপণ্যের জন্য আলাদা বিকল্প ব্যবস্থাও গড়ে তোলার কথা জানিয়েছে আমেরিকা। বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল নির্ভর—তাই এই অংশটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রসঙ্গত, প্রায় ৯ মাস ধরে দু’দেশের মধ্যে দরকষাকষির পর এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। শুল্ক কমার ফলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা ক্ষমতা কিছুটা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
সংসদীয় নির্বাচন দোরগোড়ায়, আর অন্তর্বর্তী সরকার সীমিত মেয়াদের, এই পরিস্থিতিতে এমন একটি বাণিজ্য চুক্তি সইয়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক তাৎপর্য নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। সমর্থকদের মতে, এটি অর্থনীতির পক্ষে ইতিবাচক পদক্ষেপ; সমালোচকদের প্রশ্ন, স্থায়ী সরকারের জন্য সিদ্ধান্তটি রেখে দেওয়া উচিত ছিল কি না।







