ওয়েব ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (Coal Scam Case) সোমবার দিল্লিতে গ্রেফতার I-PAC-র অন্যতম ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল (I-PAC Director Vinesh Chandel Arrested)। বেআইনি লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার বিনেশ চান্ডেল। তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছে ইডি। গত ২ এপ্রিল ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলেছিল। গতকাল রাতেই পাতিয়ালা হাউস কোর্টের (Patiala House Court) বিচারক এর সামনে পেশ করা হয় বিনেশকে। ভোর পর্যন্ত শুনানি শেষে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
সোমবার কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তে আইপ্যাক-কর্তার ঠিকানায় হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। রাতেই তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থাটির অন্যতম পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিনেশকে তারা গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার ভোরে পটীয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক (এএসজে) শেফালি বার্নালা ট্যান্ডন বিনেশের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। ইডি সূত্রে খবর, দিল্লি পুলিশের EOW দায়ের করা FIR এর ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে ইডি। তদন্তে একাধিক আর্থিক অনিয়ম এবং অর্থপাচারের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। হিসাব ভুক্ত এবং হিসাব বহির্ভূত আর্থিক লেনদেন, ভুয়ো ইনভয়েস বা বিল ব্যবহার এবং হাওয়ালার মাধ্যমে লেনদেন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, I-PAC একাধিক কোটি টাকার অর্থ পাচারের সঙ্গে যুক্ত, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি টাকার লেনদেন পাওয়া গিয়েছে। ইডি এই তদন্ত চলাকালীন একাধিক ব্যক্তির বয়ান রেকর্ড করেছে, এছাড়াও তল্লাশীর সময় গুরুত্বপূর্ণ নতি এবং প্রমাণের ভিত্তিতে বিনেশ চাণ্ডেল এর ভূমিকা স্পষ্ট।
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) বাকি আর কয়েকদিন। এর মধ্যেই তৃণমূলের ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধারের গ্রেফতারি নিয়ে শোরগোল পড়েছে। চলতি মাসের ২ তারিখ, ইডি (ED) আধিকারিকরা ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন। সেই সময় বেশ কিছু নথিপত্র হাতে আসার পর সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করা হল।এর আগে ইডি এই সংস্থার আরও দুই বড় কর্তা- প্রতীক জৈন এবং ঋষি রায় সিংকেও তলব করেছিল।







