Monday, July 6, 2026
HomeScrollথাইল্যান্ডে বিষ্ণুমূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া নিয়ে কড়া বিবৃতি দিল ভারত সরকার
Thailand-Cambodia

থাইল্যান্ডে বিষ্ণুমূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া নিয়ে কড়া বিবৃতি দিল ভারত সরকার

'ওদের উচিত শিক্ষা দিতে হবে', থাইল্যান্ড বয়কটের ডাক দিয়ে সরব সোশ্যাল মিডিয়া

ওয়েবডেস্ক-  থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার (Thailand-Cambodia) যুদ্ধের আবহে ভেঙে ফেলা হয়েছে বিষ্ণুমূর্তি (Vishnu Idol) । বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় মূর্তিটি। এই ধবংসের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার পর ইস্যুটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, বিতর্কিত এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই থাই সেনা (Thai Army)  মূর্তিটি গুঁড়িয়ে দেয়। এবার এই ঘটনায় কড়া বিবৃতি দিল ভারত সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় থাইল্যান্ড বয়কটের ডাক দিয়েছেন নেটিজেনরা। ভারতের হুঙ্কার এবার কাঁপছে পর্যটক নির্ভর অর্থনীতির দেশ থাইল্যান্ড। বেকায়দায় পড়ে থাইল্যান্ডের সাফাই, কোনও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য থাইল্যান্ডে নেই। কিন্তু ব্যাঙ্ককের এই যুক্তিতে খাটবে না ভারতের উপর।

সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা থাইল্যান্ডের আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘পাটায়ার সমস্ত বুকিং বাতিল করে থাইল্যান্ডকে এমন শিক্ষা দিন যাতে ওরা নতজানু হয়ে ক্ষমা ভিক্ষা করে।’ অপর জনের মন্তব্য, ‘থাইল্যান্ড অত্যন্ত নিষ্ঠুর দেশ। বিষ্ণুর মূর্তিতে তাদের কী সমস্যা হয়েছে? কেন সেটি এভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল? আমি বিষ্ণু ভক্ত হিসেবে এই ঘটনার তীব্র ধিক্কার জানাই। আপনাদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। ওখানে বেড়াতে যাবেন না।’

আরও পড়ুন-  অস্ট্রেলিয়ার মতো আইন করা হোক ভারতে! কেন বলল হাইকোর্ট?

শুক্রবার ভারত সরকারও কড়া বিবৃতি দিয়েছে। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (Indian External Affairs Ministry Spokesperson Randhir Jaiswal) এক ব্রিফিংয়ে বলেন, “দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ দেবতাদের গভীরভাবে শ্রদ্ধা ও পুজো করা হয়। এটি পারস্পরিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। এই ধরনের ঘটনাকে ‘অনভিপ্রেত ও দুর্ভাগ্যজনক’।

শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুভূতিতেই আঘাতই নয়, বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়ও আহত করেছে। সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। রণধীর জয়সওয়াল উভয় পক্ষের কাছে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিতে আনতে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “জীবনহানি, সম্পত্তির ক্ষতি এবং বিশেষ করে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষতি রোধ করতে হবে।” বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, হিংসার পথ ছেড়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করা উচিত। কারণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্মান সকল সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি রক্ষা না করলে স্থায়ী শান্তি বিঘ্নিত হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে কম্বোডিয়ার এক মন্দিরে স্থাপিত হয় ওই বিষ্ণুমূর্তিটি। থাইল্যান্ডের সীমান্ত অঞ্চলের কাছেই ৩২৮ ফুটের সুউচ্চ মূর্তিটি নির্মিত হয়। এদিকে দুই দেশের সংঘাতের আবহের কোপ পড়ল এই বিষ্ণুমূর্তিটিতে। গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। চলতি বছরের জুলাই মাসে টানা পাঁচদিন যুদ্ধ চলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই দেশ থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে। উভয় পক্ষের কমকরে ৪০ জনের মৃত্যু হয় দু’পক্ষে। তিনদিন  পর থাইল্যান্ডের কাছে যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানায় কম্বোডিয়া। সেই প্রস্তাব মেনে নেয়নি থাইল্যান্ড। পরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় সম্পূর্ণ সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় দু’পক্ষ। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি ছিল, তাঁর হস্তক্ষেপেই হিংসা বন্ধে রাজি হয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot AMANAHTOTO slot gacor hari ini SlotPoker188 kecak4d AMANAHTOTO premantoto AMANAHTOTO Pakde4D petir188 slot TOTO MACAU AMANAHTOTO kubet NKRISLOT