Thursday, June 4, 2026
HomeScrollবিবাহিত জীবনে রক্ষাকবচ দরকার পুরুষদেরও: দিল্লি হাইকোর্ট  

বিবাহিত জীবনে রক্ষাকবচ দরকার পুরুষদেরও: দিল্লি হাইকোর্ট  

নয়াদিল্লি: মহিলাদের মতো পুরুষদেরও আইনি রক্ষাকবচ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। বিবাহিত জীবনে পুরুষরাও নিষ্ঠুরতার মুখোমুখি হয়, তাই তাদেরও আইনি রক্ষাকবচ দরকার, এমনটাই অভিমত হাইকোর্টের।

গরম জলে লঙ্কার গুঁড়ো মিশিয়ে স্বামীর শরীরে ছুড়ে আঘাত করেছিলেন এক মহিলা। এই মামলায় আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদন নাকচ করে দেন উচ্চ আদালতের বিচারপতি স্বরণা কান্ত শর্মার (Justice Swarana Kanta Sharma)। আগাম জামিনের আবেদন নাকচ করার পাশাপাশি সন্তানকে মহিলার কাছে দেওয়ার আবেদনও খারিজ।

ঘটনার কয়েকদিন আগে অভিযোগকারী পুলিশকে জানিয়েছিলেন, মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাঁকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে জানতে পারেন, এই মহিলা একাধিক ব্যক্তিকে বিয়ে করে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন। এমনকী আগের কোনও এক বিয়ে থেকে মহিলার একটি সন্তানও আছে। অভিযোগ, লঙ্কাগুঁড়ো মেশানো গরম জল ছোড়ার পর যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা স্বামী ও তিন মাসের সন্তানকে ঘরে রেখে বাইরে থেকে তালা দিয়ে পালিয়ে যান ওই মহিলা।

আরও পড়ুন: চোখের পলকে ধ্বংস হবে শত্রুরা! ভারতের হাতে ‘আকাশ মিসাইল’

এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি মন্তব্য করেন, বৈবাহিক সম্পর্কে কেবলমাত্র মহিলারাই শারীরিক এবং মানসিক নিষ্ঠুরতার শিকার হন বলে ধরে নেওয়া হয়। তার ব্যতিক্রমও আছে। বাস্তব জীবনে তার অন্যথাও হয়।

অভিযুক্তের পক্ষে সওয়াল ছিল, তিনি মহিলা, কোনও মহিলাকে এমন অভিযোগে অভিযুক্ত করা অস্বাভাবিক। তাতে মহিলা বিচারপতি বলেন, মহিলারা নিষ্ঠুরতা ও হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সুরক্ষা পেয়ে থাকেন। কিন্তু পুরুষও আইন অনুযায়ী তেমন রক্ষাকবচ পাওয়ার যোগ্য। তা না হলে মানুষের প্রাপ্য মর্যাদা এবং সাম্যের নীতি ভঙ্গ হয়। মহিলাদের বিশেষ শ্রেণি হিসেবে দেখলে বিচার প্রক্রিয়ার ভিত্তিটাই ক্ষয়ে যাবে। লিঙ্গের ভিত্তিতে একটি শ্রেণিকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান ও সুরক্ষা দান আরেকটি শ্রেণির অধিকার খর্ব করে হতে পারে না। প্রত্যেকটি জীবন মূল্যবান। তাই অপরাধে অভিযুক্ত মহিলা না পুরুষ, তা দেখা নিষ্প্রয়োজন। মন্তব্য মহিলা বিচারপতির।

তিনি আরও বলেন, স্ত্রীর হাতে হেনস্থা অথবা হাঙ্গামার শিকার হয়েও পুরুষ বিচিত্র সমস্যার সম্মুখীন হন। সামাজিকভাবে তাঁকে অবিশ্বাস করা হয়। অথবা স্ত্রীর দ্বারা অত্যাচারিত হওয়ার কারণে হাস্যাষ্পদ হতে হয়। আসলে ধরেই নেওয়া হয়, গার্হস্থ্য জীবনে পুরুষ অত্যাচারের শিকার হতেই পারেন না।

দেখুন অন্য খবর:

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor toto slot toto slot toto SlotPoker188 situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D