কলকাতা: সোমবার নবান্ন নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে যোগ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ১৪ তলার ঘরে এই বৈঠকটি চলছে। এই বৈঠকে রয়েছেন শনিবার শুভেন্দুর সঙ্গেই মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়া দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রমাণিক। তাঁদের দফতর অবশ্য এখনও বণ্টন করা হয়নি। ছিলেন বেশ কয়েকটি দফতরের সচিব এবং আধিকারিকেরাও।
আগের সমস্ত সামাজিক প্রকল্প চালু থাকবে ৷ চালু থাকা কোনও সামাজিক কল্যাণকর কর্মসূচি এই সরকার বন্ধ করবে না ৷ কোনও মৃত ব্যক্তি, কোনও অ-ভারতীয় এই প্রকল্প পাবে না ৷ সেইসব দিক খতিয়ে দেখা হবে ৷ পোর্টালগুলি আপডেট করা হবে যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে ৷

পূর্ববর্তী সরকার জনগণনা সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ১৬ জুন, ২০২৫-এর নির্দেশ দীর্ঘ দিন কার্যকর করেনি। বর্তমান সরকার অবিলম্বে সেই প্রশাসনিক নির্দেশ কার্যকর করছে বলে জানান তিনি।
শুভেন্দু জানান, ‘অমিত শাহ রায়দিঘি থেকে বলেছিলেন ২০১৫ সালের পর রাজ্যে কোনও রিক্রুটমেন্ট হয়নি। সরকারি চাকরির আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে। মন্ত্রিসভা তাতে অনুমোদন দিয়েছে।’
কেন্দ্রীয় স্কিম গুলো আছে তার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। বিশ্বকর্মা যোজনা আগের সরকার যাদের আবেদন জেলাশাসক দের পাঠাতে দেননি, তাদের পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৮ লক্ষ ৭৫ হাজার এর। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনার ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার পিটিশন যেটা আগের সরকার কেন্দ্রকে পাঠায়নি। এটা MSME সেক্টরের। আমরা সেটা পাঠাবার সিদ্ধান্ত নিলাম। আর 'পিএম উজ্জ্বলা যোজনা ৩.০' যেখানে রাজ্যের কোটা রয়েছে ১৫ লক্ষ, এরমধ্যে ১ লক্ষ ২৯ হাজার মাত্র প্রসেস হয়েছিল। বাকিটা কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের কাছে পাঠান হবে যাতে বাংলার মা-বোনেরা উপকৃত হন।

রাজ্যের আইপিএস, আইএএসরা কেন্দ্রের কোনও ট্রেনিংয়ে অংশ নিতে পারতেন না। এবার থেকে চাইলে তাঁরা পারবেন।শুভেন্দু জানান, প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে আইএএস আধিকারিকদের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সংবিধানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আগের সিআরপিসি আইপিসি চলছিল। আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, তার সঙ্গে আমরা যুক্ত হলাম: শুভেন্দু
আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, সোমবার থেকেই এই প্রকল্পে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। এর জন্য প্রয়োজনীয় এগ্রিমেন্ট করা হবে। তার জন্য স্বাস্থ্য সচিব, মুখ্যসচিব, উপদেষ্টা দ্রুত কার্যকর করবে।
৩২১ জন অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে তাদের সমবেদনা জানিয়েছি। যাঁদের আত্মবলিদানের মধ্য দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেই ৩২১ জন নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের দায়িত্ব নিল রাজ্য সরকার।
সীমান্ত সুরক্ষার লক্ষ্যে ল্যান্ড ট্রান্সফার প্রক্রিয়া শুরু আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে।রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। তাই সীমান্ত রক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজন। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য জমি হস্তান্তর করা হবে।
দীর্ঘ দিন বাদে মৃত্যু হীন, ভয় মুক্ত অবাধ নির্বাচন হয়েছে তাই একটা প্রদেশ এর নির্বাচন নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। তাই আমরা ৯৩ শতাংশ ভোটার কে নত মস্তকে জানালাম। এতো বড়ো কর্মযজ্ঞে অংশ গ্রহনকারী প্রত্যেকের জন্য ভোটকর্মী, গণনাকর্মী, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশ, নির্বাচন কমিশন,নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল, প্রার্থী সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাই।”

মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে যোগ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ১৪ তলার ঘরে এই বৈঠকটি চলছে। এই বৈঠকে রয়েছেন শনিবার শুভেন্দুর সঙ্গেই মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়া দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রমাণিক। ছিলেন বেশ কয়েকটি দফতরের সচিব এবং আধিকারিকেরাও।

নবান্নে গার্ড অফ অনার দেওয়া হল শুভেন্দু অধিকারীকে। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে নবান্নে স্বাগত জানান মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত।







