কলকাতা: দায়িত্ব পাওয়ার পরই কাজে নেমে পড়লেন রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু (Minister Kshudiram Tudu)। মঙ্গলবারই বর্ধমানে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ফেক এসটি সার্টিফিকেট (Fake ST Certificat) নির্মূল করব, অবৈধ মাদ্রাসা বন্ধ করব’। বর্ধমানে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কড়া বার্তা দিলেন নবনিযুক্ত রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। তিনি অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা এবং আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন। মঙ্গলবার বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এসে সাংবাদিক বৈঠক করেন।ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, “আগামী দিনে আমার দফতরের কাজ ভালো ভাবে সম্পন্ন করতে চেষ্টা করব, সরকারের প্রতিটি দফতর আমরা উন্নয়ন করব।”
আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীর অভিযোগ করেন, “প্রায় ১৫ বছরে প্রচুর অ-আদিবাসী আদিবাসী হয়েছে। দুয়ারে সরকারের নাম করে তৃণমূল সরকার যেভাবে মুড়ি মুড়কির মতো ফেক ST সার্টিফিকেট দিয়েছে, তা নির্মূল করব। এটাই আমার কাছে প্রথম চ্যালেঞ্জিং বিষয়।” জঙ্গলমহলের আদিবাসীদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “ওখানে এখনও পানীয় জলের ভীষণ সমস্যা, রাস্তাঘাটের সমস্যা এবং আদিবাসী হোস্টেলগুলো বিগত সরকার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। নতুন সরকার গঠনের পর আমি ব্যবস্থা করব যাতে আদিবাসী ছেলেমেয়েরা বিনা পয়সায় হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতে পারে।” তিনি নিজের তৈরি করা বর্ধমান বাণীপিট হাইস্কুলের সংলগ্ন ১২০ সিটের হোস্টেলের উদাহরণ দিয়ে বলেন, “এমন অনেক হোস্টেল খুব সুন্দরভাবে চালানোর ওপর বিশেষ নজর দেব।”
আরও পড়ুন: প্রোটেম স্পিকার হিসেবে লোকভবনে শপথ নিলেন তাপস রায়
কোরা অঞ্চলের আদিবাসীদের টাটা বা ঝাড়খণ্ডের দিকে পাড়ি জমানোর কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “নতুন সরকার গঠনের পর শিল্প স্থাপন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প হবে এবং এখানকার ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থান হবে।” সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা দপ্তর প্রসঙ্গে ক্ষুদিরাম টুডু স্পষ্ট বলেন, “বিগত দিনে বিভিন্ন অবৈধভাবে যেসব মাদ্রাসা চলছে, সেগুলো আমি বাতিল করে দেব।” সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন নিয়েও তিনি আশ্বাস দেন।মন্ত্রী জানান, তাঁর বিধানসভার প্রায় ২০টি অঞ্চলে আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষের প্রধান দাবি পানীয় জল ও রাস্তাঘাট। তা আমি খুব শীঘ্রই প্রতিটি বাড়িতে পর্যাপ্ত জল পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করব। মন্ত্রী জানান, গতকাল অর্থাৎ সোমবার কেবিনেটে মহিলাদের জন্য প্রতিশ্রুত অন্নপূর্ণা ভান্ডার ১ জুন থেকে চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।







