মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) ঘিরে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। তাঁর বিরুদ্ধে একটি পুকুর জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ পুকুর থেকে ধরা মাছ বাজেয়াপ্ত করে গ্রামবাসীদের মধ্যে বিলি করেছে বলে অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।
হুমায়ুন কবীরের দাবি, সংশ্লিষ্ট পুকুরটি তিনি বৈধভাবে লিজ নিয়েছেন এবং সেই লিজের মেয়াদ ২০৩২-৩৩ সাল পর্যন্ত রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে জেলেরা পুকুরে মাছ ধরার সময় শক্তিপুর থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সেখানে পৌঁছে প্রায় ১ লক্ষ টাকার মাছ বাজেয়াপ্ত করে স্থানীয় গ্রামবাসীদের মধ্যে বিতরণ করে। তাঁর অভিযোগ, এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ বেআইনি এবং তাঁর আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
আরও পড়ুন: আমেরিকার ৯১১-এর ধাঁচে বাংলায় আসছে ১১২ হেল্পলাইন
অন্যদিকে পুলিশের দাবি সম্পূর্ণ ভিন্ন। পুলিশের বক্তব্য, ওই পুকুরের লিজের মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। এরপরও অবৈধভাবে পুকুরটি দখল করে মাছ চাষ করা হচ্ছিল। সেই কারণেই আইন অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে মাছ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে তা বিতরণ করা হয়েছে।
হুমায়ুন কবীর আরও দাবি করেছেন, গত কয়েকদিন ধরেই ওই পুকুর থেকে মাছ ধরা হচ্ছিল। এদিন শক্তিপুর থানার ওসির নেতৃত্বে বিপুল পুলিশ বাহিনী সেখানে গিয়ে মাছ নিয়ে যায়। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযানের বৈধতার দাবিই করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। পুকুরের লিজ সংক্রান্ত নথি এবং পুলিশের পদক্ষেপের বৈধতা নিয়ে পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক বা আইনি স্তরে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।







