ওয়েব ডেস্ক : বারাসাত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটা জানালেন বারাসতের তৃণমূল (TMC) সাংসদ। তিনি দাবি করেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, ভোট কুশলী সংস্থার খবরদারি করার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ইস্তফা দিলেন তিনি।
তিনি দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বস্কীকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন বলে খবর। এদিকে ইস্তফা পত্রের প্রথমে কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar) সাম্প্রতিক সময় দলের দুর্নীতির কথার উল্লেখ করেছেন। সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রতি তাঁর আবেদন, দলের সৎ, পুরনো, নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে কাজ করলে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।
আরও খবর : ‘তৃণমূলের হার-বার মডেল’! ফলতায় বিজেপির জয় নিশ্চিত হতেই কটাক্ষ শুভেন্দু’র
সাংবাদিক বৈঠক করে এদিন কাকলি (Kakoli Ghosh Dastidar) অভিযোগ করেন, আইপ্যাকের (I Pac) বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েরা দলের কর্মীদের সঙ্গে যে আচরণ করেছে তা বলার নেই। আমি ১৭ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে রয়েছি। আমি আমার লোকসভা এলাকার ৭টা বিধানসভায় এতদিন ধরে অনেক কাজ করেছি। তবে মানুষ যে আর তৃণমূলকে মেনে নেয়নি, তা ফলাফলে বোঝা গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া ছাববিশের নির্বাচনে তৃণমূল যে ৮০টি আসন পেয়েছে, তাও তিনি মেনে নিতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।
বলে রাখা দরকার, তৃণমূলের (TMC) পতনের পর থেকে অনেকে দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। চলছে দোষারোপের পালাও। প্রথম সারির নেতারা দলের শীর্ষনেতৃত্ব ও ভোট কুশলী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। এদিকে কাকলিকে লোকসভায় তৃণমূলের সচেতক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আনা হয়েছিল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এ নিয়ে ক্ষো উগরে দিয়েছিলেন তিনি। এর পর সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি।
দেখুন অন্য খবর :







